চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

সেই জুলাই যোদ্ধা মাহদীকে বিমানবন্দরে আটকে দিল ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ

প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
সেই জুলাই যোদ্ধা মাহদীকে বিমানবন্দরে আটকে দিল ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ
দিল্লিতে অবস্থানরত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসানকে বিমানবন্দরে আটকে দিয়েছে ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দেশীয় এক সংবাদ মাধ্যমকে ভারতস্থ বাংলাদেশের কনসুলেটের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরার পথে দিল্লি বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার সময় মাহদীকে আটকে দেওয়া হয়। এর আগে সামাজিক মাধ্যমে তার অবস্থান ও ব্যক্তিগত তথ্য ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। জানা গেছে, আজ দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা ছিল মাহদীর। কিন্তু বোর্ডিংয়ের আগে ইমিগ্রেশন চেকপয়েন্টে তাকে থামিয়ে দেওয়া হয়। আটকের পরপরই তিনি বাংলাদেশ হাইকমিশনের একজন কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার দিল্লির ভিএফএস সেন্টারে ভিসা-সংক্রান্ত কাজে গেলে মাহদীর অজ্ঞাতে তার একটি ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। বিভিন্ন ফেসবুক ও এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে তাকে ‘জুলাইয়ের আত্মস্বীকৃত খুনি’ আখ্যা দিয়ে প্রচার চালানো হয় এবং হুমকি দেওয়া হয়। মাহদী সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, অজ্ঞাত নম্বর থেকে কল ও মেসেজ পেয়ে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন। ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। মাহদী দাবি করেন, তিনি ফিনল্যান্ডে যাওয়ার ভিসা-সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দিতে দিল্লিতে গিয়েছিলেন এবং সেখানেই তার ভিডিও ধারণ করা হয়। উল্লেখ্য, সম্প্রতি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালামের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডার একটি ভিডিও ভাইরাল হলে তিনি আলোচনায় আসেন। ওই ভিডিওতে তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালীন কিছু ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য দেন, যা নিয়ে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। পরে ৩ জানুয়ারি তাকে গ্রেফতার করা হলেও আন্দোলনের কর্মসূচির মুখে পরদিনই জামিনে মুক্তি পান।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


সেই জুলাই যোদ্ধা মাহদীকে বিমানবন্দরে আটকে দিল ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ

প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
দিল্লিতে অবস্থানরত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসানকে বিমানবন্দরে আটকে দিয়েছে ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দেশীয় এক সংবাদ মাধ্যমকে ভারতস্থ বাংলাদেশের কনসুলেটের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরার পথে দিল্লি বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার সময় মাহদীকে আটকে দেওয়া হয়। এর আগে সামাজিক মাধ্যমে তার অবস্থান ও ব্যক্তিগত তথ্য ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। জানা গেছে, আজ দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা ছিল মাহদীর। কিন্তু বোর্ডিংয়ের আগে ইমিগ্রেশন চেকপয়েন্টে তাকে থামিয়ে দেওয়া হয়। আটকের পরপরই তিনি বাংলাদেশ হাইকমিশনের একজন কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার দিল্লির ভিএফএস সেন্টারে ভিসা-সংক্রান্ত কাজে গেলে মাহদীর অজ্ঞাতে তার একটি ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। বিভিন্ন ফেসবুক ও এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে তাকে ‘জুলাইয়ের আত্মস্বীকৃত খুনি’ আখ্যা দিয়ে প্রচার চালানো হয় এবং হুমকি দেওয়া হয়। মাহদী সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, অজ্ঞাত নম্বর থেকে কল ও মেসেজ পেয়ে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন। ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। মাহদী দাবি করেন, তিনি ফিনল্যান্ডে যাওয়ার ভিসা-সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দিতে দিল্লিতে গিয়েছিলেন এবং সেখানেই তার ভিডিও ধারণ করা হয়। উল্লেখ্য, সম্প্রতি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালামের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডার একটি ভিডিও ভাইরাল হলে তিনি আলোচনায় আসেন। ওই ভিডিওতে তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালীন কিছু ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য দেন, যা নিয়ে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। পরে ৩ জানুয়ারি তাকে গ্রেফতার করা হলেও আন্দোলনের কর্মসূচির মুখে পরদিনই জামিনে মুক্তি পান।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত