ঠাকুরগাঁও-৩ (পীরগঞ্জ–রাণীশংকৈল) আসনের রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী ব্যানার পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার গভীর রাতে নেকমরদ কারিগরি ও বাণিজ্যিক মহাবিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় স্থাপিত ব্যানারটিতে আগুন দেওয়া হয়। রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ব্যানারটিতে অগ্নিসংযোগ করলে সেটি সম্পূর্ণভাবে দগ্ধ হয়। বৃহস্পতিবার সকালে এলাকাবাসী ব্যানারটি পোড়া অবস্থায় দেখতে পায়।
জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মাস্টারের সমর্থকদের দাবি, এ ধরনের ঘটনার মাধ্যমে নির্বাচনী পরিবেশ অশান্ত করার পাশাপাশি জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চলছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের শনাক্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনাটির প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির স্থানীয় স্থায়ী নেতাকর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভের প্রকাশ দেখা গেছে। তারা জানান, সহিংসতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের রাজনীতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখা সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব বলেও তারা মন্তব্য করেন।
এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
ঠাকুরগাঁও-৩ (পীরগঞ্জ–রাণীশংকৈল) আসনের রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী ব্যানার পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার গভীর রাতে নেকমরদ কারিগরি ও বাণিজ্যিক মহাবিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় স্থাপিত ব্যানারটিতে আগুন দেওয়া হয়। রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ব্যানারটিতে অগ্নিসংযোগ করলে সেটি সম্পূর্ণভাবে দগ্ধ হয়। বৃহস্পতিবার সকালে এলাকাবাসী ব্যানারটি পোড়া অবস্থায় দেখতে পায়।
জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মাস্টারের সমর্থকদের দাবি, এ ধরনের ঘটনার মাধ্যমে নির্বাচনী পরিবেশ অশান্ত করার পাশাপাশি জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চলছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের শনাক্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনাটির প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির স্থানীয় স্থায়ী নেতাকর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভের প্রকাশ দেখা গেছে। তারা জানান, সহিংসতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের রাজনীতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখা সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব বলেও তারা মন্তব্য করেন।
এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
