বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

আর্কাইভ

বেকার ভাতা নয়, কর্মসংস্থান করবো-জামায়াত আমির

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
বেকার ভাতা নয়, কর্মসংস্থান করবো-জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, শহীদ আবরার ফাহাদ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক ছিলেন। তিনি কলম ধরেছিলেন আধিপত্যের বিরুদ্ধে, যা তার অপরাধ হিসেবে ধরা হয়েছিল। এজন্য নির্মমভাবে তাকে জীবন থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে কুষ্টিয়া শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে তিনি বলেন, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করে বাংলাদেশের দামাল ছেলেরা আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পায় না। সকল শহীদদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জানান।

ডা. শফিকুর রহমান কুষ্টিয়ার নদী ভাঙন ও বেড়িবাঁধ সমস্যার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, পদ্মা নদী গড়াই নদীময় মরুভূমি। উপচে ওঠা পানি সবকিছু তছনছ করে দেয়। দীর্ঘদিন ধরে নদী ভাঙনে মানুষের স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ হয়েছে। নদী খননের জন্য বরাদ্দ বাজেট যথাযথভাবে ব্যবহার হচ্ছে না।

তিনি বলেন, “দেশটি আমাদের সকলের। আমাদের নেতৃবৃন্দদের ওপর হামলা, জেল, অফিস বন্ধ, ঘরবাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। আমাদের নিবন্ধন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমরা কারোর প্রতি প্রতিশোধ নেই।”

ডা. শফিকুর রহমান যুবকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “আমরা কোনো বেকার ভাতা দেব না। বরং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। যুবকদের হাতে মর্যাদাপূর্ণ কাজ তুলে দেব। কুষ্টিয়ায় সুগার মিল ও বস্ত্র মিল বন্ধ রয়েছে, এগুলো পুনরায় চালু করলে বেকার সমস্যার সমাধান হবে।”

তিনি আরও বলেন, “একটি বাংলাদেশ আমরা গড়তে চাই, যেখানে সব পুরুষ ও নারী কর্মসংস্থান পাবেন। তারা তাদের যৌবনের শক্তি দিয়ে দেশকে এগিয়ে নেবে।”

সমাবেশ শেষে ডা. শফিকুর রহমান কুষ্টিয়ার চারটি আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন এবং সবাইকে ধারণা অনুযায়ী দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে আহ্বান জানান। জেলা নেতৃবৃন্দও তাঁকে একই প্রতীক তুলে দেন।

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


বেকার ভাতা নয়, কর্মসংস্থান করবো-জামায়াত আমির

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, শহীদ আবরার ফাহাদ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক ছিলেন। তিনি কলম ধরেছিলেন আধিপত্যের বিরুদ্ধে, যা তার অপরাধ হিসেবে ধরা হয়েছিল। এজন্য নির্মমভাবে তাকে জীবন থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে কুষ্টিয়া শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে তিনি বলেন, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করে বাংলাদেশের দামাল ছেলেরা আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পায় না। সকল শহীদদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জানান।

ডা. শফিকুর রহমান কুষ্টিয়ার নদী ভাঙন ও বেড়িবাঁধ সমস্যার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, পদ্মা নদী গড়াই নদীময় মরুভূমি। উপচে ওঠা পানি সবকিছু তছনছ করে দেয়। দীর্ঘদিন ধরে নদী ভাঙনে মানুষের স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ হয়েছে। নদী খননের জন্য বরাদ্দ বাজেট যথাযথভাবে ব্যবহার হচ্ছে না।

তিনি বলেন, “দেশটি আমাদের সকলের। আমাদের নেতৃবৃন্দদের ওপর হামলা, জেল, অফিস বন্ধ, ঘরবাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। আমাদের নিবন্ধন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমরা কারোর প্রতি প্রতিশোধ নেই।”

ডা. শফিকুর রহমান যুবকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “আমরা কোনো বেকার ভাতা দেব না। বরং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। যুবকদের হাতে মর্যাদাপূর্ণ কাজ তুলে দেব। কুষ্টিয়ায় সুগার মিল ও বস্ত্র মিল বন্ধ রয়েছে, এগুলো পুনরায় চালু করলে বেকার সমস্যার সমাধান হবে।”

তিনি আরও বলেন, “একটি বাংলাদেশ আমরা গড়তে চাই, যেখানে সব পুরুষ ও নারী কর্মসংস্থান পাবেন। তারা তাদের যৌবনের শক্তি দিয়ে দেশকে এগিয়ে নেবে।”

সমাবেশ শেষে ডা. শফিকুর রহমান কুষ্টিয়ার চারটি আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন এবং সবাইকে ধারণা অনুযায়ী দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে আহ্বান জানান। জেলা নেতৃবৃন্দও তাঁকে একই প্রতীক তুলে দেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত