অবৈধভাবে দখলকৃত বাসা ও পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধারের দাবিতে সুনামগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন করেছে একটি ভুক্তভোগী পরিবার।
রবিবার বিকেলে সুনামগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য আরপিননগর (অয়ন-২৩) এলাকায় নিজ বাসায় এই সংবাদ সম্মেলন করেন মৃত নজির মিয়া বক্সের ছেলে মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তাঁর স্ত্রী বিলকিস বেগম ও ছেলে তামিম উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে শফিকুল ইসলাম জানান, তাঁর পিতা নজির মিয়া বক্স মৃত্যুকালে তিন স্ত্রী, তিন ছেলে ও ছয় মেয়েসহ উত্তরাধিকার রেখে যান। মৃত্যুর আগে তিনি মোট ১১ শতক জমির মধ্যে ৪ শতক শফিকুল ইসলামকে এবং ৩ শতক সৎ ভাই জমিরুল ইসলামকে প্রদান করেন। অবশিষ্ট ৪ শতক জমি পিতার নামেই থেকে যায়।
শফিকুল ইসলামের অভিযোগ, পরবর্তীতে তাঁর সৎ ভাই জমিরুল ইসলাম প্রতারণার মাধ্যমে অবশিষ্ট ৪ শতক জমি নিজের নামে রেকর্ড করে নেন। পাশাপাশি তাঁর নিজ নামে থাকা ৪ শতক জমির ওপর নির্মিত বসতঘরের প্রায় ১ শতক অংশ জোরপূর্বক দখল করে রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে একাধিকবার বিচার-শালিস বসানো হলেও কোনো সুরাহা হয়নি। তাঁর বা পরিবারের কোনো সদস্য কখনোই ‘না-দাবি নামা’য় স্বাক্ষর করেননি, অথচ আইনি প্রক্রিয়ায় তিনি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল ইসলাম বলেন, “পৈত্রিক সম্পত্তির অবশিষ্ট অংশ থেকে তো বঞ্চিত হয়েছি, উল্টো আমার নিজ ঘরের একটি অংশও জোরপূর্বক দখল করে রাখা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু প্রতিকার চাই।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জমিরুল ইসলামের পুত্র আবুল ফাত্তাহ পাপ্পুর স্ত্রী শিউলি চৌধুরী মুঠোফোনে বলেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। বিষয়টি নিয়ে তারা আইনি ব্যবস্থা নেবেন।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, “এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
অবৈধভাবে দখলকৃত বাসা ও পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধারের দাবিতে সুনামগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন করেছে একটি ভুক্তভোগী পরিবার।
রবিবার বিকেলে সুনামগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য আরপিননগর (অয়ন-২৩) এলাকায় নিজ বাসায় এই সংবাদ সম্মেলন করেন মৃত নজির মিয়া বক্সের ছেলে মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তাঁর স্ত্রী বিলকিস বেগম ও ছেলে তামিম উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে শফিকুল ইসলাম জানান, তাঁর পিতা নজির মিয়া বক্স মৃত্যুকালে তিন স্ত্রী, তিন ছেলে ও ছয় মেয়েসহ উত্তরাধিকার রেখে যান। মৃত্যুর আগে তিনি মোট ১১ শতক জমির মধ্যে ৪ শতক শফিকুল ইসলামকে এবং ৩ শতক সৎ ভাই জমিরুল ইসলামকে প্রদান করেন। অবশিষ্ট ৪ শতক জমি পিতার নামেই থেকে যায়।
শফিকুল ইসলামের অভিযোগ, পরবর্তীতে তাঁর সৎ ভাই জমিরুল ইসলাম প্রতারণার মাধ্যমে অবশিষ্ট ৪ শতক জমি নিজের নামে রেকর্ড করে নেন। পাশাপাশি তাঁর নিজ নামে থাকা ৪ শতক জমির ওপর নির্মিত বসতঘরের প্রায় ১ শতক অংশ জোরপূর্বক দখল করে রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে একাধিকবার বিচার-শালিস বসানো হলেও কোনো সুরাহা হয়নি। তাঁর বা পরিবারের কোনো সদস্য কখনোই ‘না-দাবি নামা’য় স্বাক্ষর করেননি, অথচ আইনি প্রক্রিয়ায় তিনি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল ইসলাম বলেন, “পৈত্রিক সম্পত্তির অবশিষ্ট অংশ থেকে তো বঞ্চিত হয়েছি, উল্টো আমার নিজ ঘরের একটি অংশও জোরপূর্বক দখল করে রাখা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু প্রতিকার চাই।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জমিরুল ইসলামের পুত্র আবুল ফাত্তাহ পাপ্পুর স্ত্রী শিউলি চৌধুরী মুঠোফোনে বলেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। বিষয়টি নিয়ে তারা আইনি ব্যবস্থা নেবেন।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, “এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
