বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘদিন পর দেশে ভোটের সুযোগ আসছে এবং এবার নির্বাচন আগের চেয়ে ভিন্ন হবে। তিনি উল্লেখ করেন, “আগে যেখানে ধানের শীষ ও নৌকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল, এবার নৌকা নেই।”
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ঠাকুরগাঁও সদরের ২৯ মাইল এলাকার বিডি স্কুল মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সভায় মির্জা ফখরুল বলেন, “নৌকার যিনি কাণ্ডারি ছিলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তিনি নেতাকর্মীদের ফেলে ভারতে পালিয়ে গেছেন। দিল্লিতে গিয়ে বসে আছেন। আমাদের বিপদে ফেলে গেছেন। শেখ হাসিনা থাকলে অন্তত একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চলত।”
তিনি অভিযোগ করেন, “এবার নতুন একটি মার্কা সামনে এসেছে, যারা স্বাধীনতার সময় বিরোধিতা করেছিল, তারা এখন সরকার গঠন করতে চায়।”
নির্বাচনী সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, “এই দেশে কোনো সংখ্যালঘু নেই। সবাই বাংলাদেশি নাগরিক এবং সবার অধিকার সমান। কেউ ভয় পাবেন না। আমার ভাইয়েরা সব সময় আপনাদের পাশে থাকবে।” তিনি আশ্বাস দেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের সব নাগরিকের অধিকার রক্ষা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, “আমরা রাজনীতি করে ব্যবসা করি না। রাজনীতি করি মানুষের কল্যাণের জন্য। বিএনপির মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা।”
মির্জা ফখরুল জনগণকে বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আপনারা ভয় না পেয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোট নিজে দেবেন।”

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘদিন পর দেশে ভোটের সুযোগ আসছে এবং এবার নির্বাচন আগের চেয়ে ভিন্ন হবে। তিনি উল্লেখ করেন, “আগে যেখানে ধানের শীষ ও নৌকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল, এবার নৌকা নেই।”
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ঠাকুরগাঁও সদরের ২৯ মাইল এলাকার বিডি স্কুল মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সভায় মির্জা ফখরুল বলেন, “নৌকার যিনি কাণ্ডারি ছিলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তিনি নেতাকর্মীদের ফেলে ভারতে পালিয়ে গেছেন। দিল্লিতে গিয়ে বসে আছেন। আমাদের বিপদে ফেলে গেছেন। শেখ হাসিনা থাকলে অন্তত একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চলত।”
তিনি অভিযোগ করেন, “এবার নতুন একটি মার্কা সামনে এসেছে, যারা স্বাধীনতার সময় বিরোধিতা করেছিল, তারা এখন সরকার গঠন করতে চায়।”
নির্বাচনী সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, “এই দেশে কোনো সংখ্যালঘু নেই। সবাই বাংলাদেশি নাগরিক এবং সবার অধিকার সমান। কেউ ভয় পাবেন না। আমার ভাইয়েরা সব সময় আপনাদের পাশে থাকবে।” তিনি আশ্বাস দেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের সব নাগরিকের অধিকার রক্ষা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, “আমরা রাজনীতি করে ব্যবসা করি না। রাজনীতি করি মানুষের কল্যাণের জন্য। বিএনপির মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা।”
মির্জা ফখরুল জনগণকে বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আপনারা ভয় না পেয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোট নিজে দেবেন।”
