চেক পোস্ট

মূল পাতা

রাজনীতি

দেশে ফেরার দিন হৃদয়ে অবিস্মরণীয়: তারেক রহমান

প্রকাশ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
দেশে ফেরার দিন হৃদয়ে অবিস্মরণীয়: তারেক রহমান

দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে জনতার ভালোবাসা ও উষ্ণ অভ্যর্থনায় আবেগাপ্লুত হয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ঢাকার রাস্তাজুড়ে মানুষের ঢল, লাখো মানুষের দোয়া ও শুভেচ্ছাকে তিনি তার জীবনের এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাত ৯টা ৫৯ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি এ অনুভূতির কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর আবার মাতৃভূমির মাটিতে পা রাখার দিনটি তার হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ঢাকার রাস্তাজুড়ে মানুষের ভালোবাসা, উষ্ণ অভ্যর্থনা এবং লাখো মানুষের দোয়া তিনি কখনো ভুলতে পারবেন না বলে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, সব প্রতিকূলতার মধ্যেও যারা পাশে ছিলেন এবং কখনো আশা হারাননি, তাদের সাহস ও ভালোবাসা তাকে প্রতিনিয়ত শক্তি জুগিয়েছে। নাগরিক সমাজ, তরুণ প্রজন্ম, পেশাজীবী, কৃষক ও শ্রমিকসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ যখন ঐক্যবদ্ধ থাকে, তখনই দেশ সবচেয়ে শক্তিশালী হয়ে ওঠে—এই সত্যটি আবারও প্রমাণিত হয়েছে।

এ সময় তিনি দেশে ফেরার ঐতিহাসিক মুহূর্তটি দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অবদানকেও গুরুত্বের সঙ্গে স্মরণ করেন।

অন্য রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন আন্দোলনের নেতাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, গণতন্ত্র, বহুদলীয় সহাবস্থান ও জনগণের অদম্য ইচ্ছাশক্তির প্রতি যে সম্মান তারা দেখিয়েছেন, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বানকে তিনি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করছেন বলে জানান।

তারেক রহমান আরও বলেন, তিনি শুধু কোনো স্বপ্নের কথা বলেননি; বরং বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি বাস্তব ও দায়িত্বশীল পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন—যে বাংলাদেশে শান্তি ও মর্যাদা থাকবে, যেখানে প্রতিটি মানুষ নিজেকে নিরাপদ ও সম্মানিত মনে করবে এবং প্রতিটি শিশু আশার আলো নিয়ে বেড়ে উঠবে।

তিনি উল্লেখ করেন, এই পরিকল্পনা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য নয়, বরং সব বাংলাদেশির জন্য—একটি ঐক্যবদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সামনে এগিয়ে যাওয়ার মতো বাংলাদেশের জন্য।

শেষে দেশে ফেরার সময় তাকে ভালোবাসা ও সম্মানে বরণ করে নেওয়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আল্লাহ যেন বাংলাদেশ ও এর জনগণকে সবসময় তাঁর রহমতে রাখেন।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


দেশে ফেরার দিন হৃদয়ে অবিস্মরণীয়: তারেক রহমান

প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে জনতার ভালোবাসা ও উষ্ণ অভ্যর্থনায় আবেগাপ্লুত হয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ঢাকার রাস্তাজুড়ে মানুষের ঢল, লাখো মানুষের দোয়া ও শুভেচ্ছাকে তিনি তার জীবনের এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাত ৯টা ৫৯ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি এ অনুভূতির কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর আবার মাতৃভূমির মাটিতে পা রাখার দিনটি তার হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ঢাকার রাস্তাজুড়ে মানুষের ভালোবাসা, উষ্ণ অভ্যর্থনা এবং লাখো মানুষের দোয়া তিনি কখনো ভুলতে পারবেন না বলে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, সব প্রতিকূলতার মধ্যেও যারা পাশে ছিলেন এবং কখনো আশা হারাননি, তাদের সাহস ও ভালোবাসা তাকে প্রতিনিয়ত শক্তি জুগিয়েছে। নাগরিক সমাজ, তরুণ প্রজন্ম, পেশাজীবী, কৃষক ও শ্রমিকসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ যখন ঐক্যবদ্ধ থাকে, তখনই দেশ সবচেয়ে শক্তিশালী হয়ে ওঠে—এই সত্যটি আবারও প্রমাণিত হয়েছে।

এ সময় তিনি দেশে ফেরার ঐতিহাসিক মুহূর্তটি দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অবদানকেও গুরুত্বের সঙ্গে স্মরণ করেন।

অন্য রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন আন্দোলনের নেতাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, গণতন্ত্র, বহুদলীয় সহাবস্থান ও জনগণের অদম্য ইচ্ছাশক্তির প্রতি যে সম্মান তারা দেখিয়েছেন, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বানকে তিনি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করছেন বলে জানান।

তারেক রহমান আরও বলেন, তিনি শুধু কোনো স্বপ্নের কথা বলেননি; বরং বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি বাস্তব ও দায়িত্বশীল পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন—যে বাংলাদেশে শান্তি ও মর্যাদা থাকবে, যেখানে প্রতিটি মানুষ নিজেকে নিরাপদ ও সম্মানিত মনে করবে এবং প্রতিটি শিশু আশার আলো নিয়ে বেড়ে উঠবে।

তিনি উল্লেখ করেন, এই পরিকল্পনা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য নয়, বরং সব বাংলাদেশির জন্য—একটি ঐক্যবদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সামনে এগিয়ে যাওয়ার মতো বাংলাদেশের জন্য।

শেষে দেশে ফেরার সময় তাকে ভালোবাসা ও সম্মানে বরণ করে নেওয়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আল্লাহ যেন বাংলাদেশ ও এর জনগণকে সবসময় তাঁর রহমতে রাখেন।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত