খুলনা জেলা পরিষদে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযান চালিয়েছে। গতকাল দুপুরে দুদকের বিশেষ টিম জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের কক্ষে একঘণ্টার বেশি সময় অবস্থান করেন। অভিযানকালে প্রকল্প সংক্রান্ত রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়, আরও কিছু নথি পরবর্তীতে প্রাপ্তির কথা জানানো হয়েছে।
দুদকের সহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, “বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা নথি সংগ্রহ করেছি। এখন পুরো ছবি না পাওয়া পর্যন্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়।”
তাছলিমা আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার ও ভয়ভীতি প্রদর্শন, সরকারি অর্থের স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়ম, সরকারি বাসা মেরামতের নামে কোটি টাকার তছরুপ, সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার, প্রকল্প অনুমোদনে স্বচ্ছতার অভাব।
দুদকের আগের নির্দেশ, লিখিত অভিযোগ এবং বদলীর আদেশ সত্ত্বেও তিনি খুলনা জেলা পরিষদে বহাল ছিলেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তাছলিমা আক্তারের শ্বশুর রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী, যা তাঁর বহাল থাকার পেছনের কারণ হতে পারে।
তাছলিমা আক্তার বলেছেন, “দাপ্তরিক কাজে শোকজ হয়েছে, সব প্রকল্প নিয়ম মেনে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বদলী হয়েছিল, তবে বর্তমানে আমি খুলনা জেলা পরিষদে কর্মরত আছি।”
স্থানীয় কর্মকর্তারা মনে করেন, দীর্ঘদিনের অভিযোগ এবং তদন্তের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এভাবে পদে বহাল থাকা প্রশাসনিক স্বচ্ছতার বড় প্রশ্ন তুলেছে। দুদকের এই অভিযান সম্ভাব্য ব্যর্থতা ও অনিয়ম চিহ্নিত করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬
খুলনা জেলা পরিষদে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযান চালিয়েছে। গতকাল দুপুরে দুদকের বিশেষ টিম জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের কক্ষে একঘণ্টার বেশি সময় অবস্থান করেন। অভিযানকালে প্রকল্প সংক্রান্ত রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়, আরও কিছু নথি পরবর্তীতে প্রাপ্তির কথা জানানো হয়েছে।
দুদকের সহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, “বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা নথি সংগ্রহ করেছি। এখন পুরো ছবি না পাওয়া পর্যন্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়।”
তাছলিমা আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার ও ভয়ভীতি প্রদর্শন, সরকারি অর্থের স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়ম, সরকারি বাসা মেরামতের নামে কোটি টাকার তছরুপ, সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার, প্রকল্প অনুমোদনে স্বচ্ছতার অভাব।
দুদকের আগের নির্দেশ, লিখিত অভিযোগ এবং বদলীর আদেশ সত্ত্বেও তিনি খুলনা জেলা পরিষদে বহাল ছিলেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তাছলিমা আক্তারের শ্বশুর রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী, যা তাঁর বহাল থাকার পেছনের কারণ হতে পারে।
তাছলিমা আক্তার বলেছেন, “দাপ্তরিক কাজে শোকজ হয়েছে, সব প্রকল্প নিয়ম মেনে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বদলী হয়েছিল, তবে বর্তমানে আমি খুলনা জেলা পরিষদে কর্মরত আছি।”
স্থানীয় কর্মকর্তারা মনে করেন, দীর্ঘদিনের অভিযোগ এবং তদন্তের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এভাবে পদে বহাল থাকা প্রশাসনিক স্বচ্ছতার বড় প্রশ্ন তুলেছে। দুদকের এই অভিযান সম্ভাব্য ব্যর্থতা ও অনিয়ম চিহ্নিত করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
