খুলনা খাদ্য পরিবহন ঠিকাদার সমিতির কর্মবিরতিতে অচল খাদ্য বিভাগ
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ট্রাক সিন্ডিকেট কারনে খুলনা খাদ্য পরিবহন ( সড়ক বিভাগ) ঠিকাদার সমিতির কর্ম বিরতিতে অচল হয়ে পড়েছে। এতে সরকারি জরুরি সেবা ব্যহত হচ্ছে। বন্ধ রয়েছে খুলনার মহেশ্বরপাশা, সিএসডি ৪ নং ও ৭ নং ঘাট অঞ্চলের ট্রাক লোড আনলোড। ২৭০ জন ঠিকাদার ২০০৫ সালে খাদ্য পরিবহন ( সড়ক বিভাগ) চুক্তিবদ্ধ হন। নানা কারনে এর পরে আর টেন্ডার না হওয়ায় ২০০৫ সালের রেটে এখোনোও ব্যবসা করে যাচ্ছেন তারা।
ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ বলেন, এ অনির্দিষ্ট কর্মবিরতি প্রত্যাহার না হলে অচল হয়ে পড়বে জরুরি সেবা। কর্মহীন হয়ে পড়বে খুলনার ২৫০০ শ্রমিক। ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। খুলনা খাদ্য পরিবহন ঠিকাদার সমিতির সভাপতি এস এম আজিজুর রহমান স্বপন বলেন, " আমরা যারা খাদ্য বিভাগে কাজ করি খুলনা,রাজশাহী, চট্রগ্রাম ও ঢাকায়। সকলের সরকারের লাইসেন্সকৃত পরিবহন আছে এই পরিবহনের কাছে ট্রাক ভাড়া করার স্বাধীনতা আমাদের আছে। যে- কোন ট্রান্সপোর্ট থেকে আমরা সুবিধামতো গাড়ি নিয়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারি। কিন্তু খুলনার মহেশ্বরপাশা, সিএসডি, ৪ ও ৭ নং ঘাটে বিভাগীয় খাদ্য পরিবহন সমিতির গাড়ি ভাড়া করার স্বাধীনতা নেই। এর কারন হচ্ছে খুলনার জয়েন্ট ট্রান্সপোর্ট নামের ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন নিয়ন্ত্রিত। তাদের কাছ থেকে ব্যবসায়ীদের গাড়ি নিতে বাধ্য করা হয়।
এখানে একতরফা তাদের সিন্ডিকেট সচল। বিগত সরকারের আমলেও তারা আমাদের বাধ্য করেছিল। ৫ আগষ্ট গনঅভ্যুত্থানের পরে কিছুদিন শিথিল ছিল কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের পর তা আবারও সচল হয়ে উঠেছে। ট্রাক মালিকদের এই সিন্ডিকেটের কারনে আমাদের পক্ষে এখন ব্যবসা করা সম্ভব হচ্ছে না। খুলনার খাদ্য পরিবহন ( সড়ক পথ) ঠিকাদার হাফিজুর রহমান বলেন, " জয়েন্ট পরিবহন মালিক সমিতি (৬২২) যে রেট দিবে তাদের রেটে গাড়ি নিতে হবে। প্রতি গাড়িতে তিন থেকে চার হাজার টাকা বেশি দিতে হয়।
এছাড়াও তাদের গাড়ির কেন লাইসেন্স নেই। আর এক ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবির বলেন, আমাদের কোন গাড়ি নিতে হলে তাদের মাধ্যমে নিতে নিতে হবে। ফারুক হোসেন নামে আরেক ব্যবসায়ী বলেন, ওদের গাড়ির লাইসেন্স থাকেনা ফিটনেস বিহীন। আমাদের কাছ থেকে বেশি টাকা নেয়। প্রতিবাদ করলে আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে।
এবিষয়ে খুলনা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সরোয়ার হোসেন বলেন, " ঠিকাদারের সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছিল। খাদ্য অধিদপ্তর থেকে চিঠি দিয়েছে দুপক্ষ বসলে সমাধান হয়ে যাবে। চলাচল ও সংরক্ষণ খাদ্য নিয়ন্ত্রক রহমান বলেন, " খুলনা ট্রাক মালিক সমিতি এখানে বাহিরের ট্রাক ঢুকতে দেয় না। আমাদের এটা জরুরি সেবা, এখানে আইন দেখিয়ে লাভ হবে না কারন বিকল্প রাস্তা নেই। ঠিকাদাররা বেশকিছু দিন যাবৎ এটা অবরোধ করে রেখেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ
কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত