বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

৯ বছর পর স্থায়ী ক্যাম্পাস পাচ্ছে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

৯ বছর পর স্থায়ী ক্যাম্পাস পাচ্ছে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

৯ বছর পর স্থায়ী ক্যাম্পাস পাচ্ছে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিষ্ঠার প্রায় ৯ বছর পর অবশেষে স্থায়ী ক্যাম্পাস পেতে যাচ্ছে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (খুকৃবি)। দীর্ঘদিন ভাড়া করা ভবনে কার্যক্রম পরিচালনার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে এখন বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত এই প্রকল্প।

২০১৫ সালের ৫ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাসের মাধ্যমে খুকৃবির ভিত্তি তৈরি হলেও ২০১৮ সালে উপাচার্য নিয়োগের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ২০১৯ সালে মাত্র ৮০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলেও বর্তমানে পাঁচটি অনুষদে প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন।

তবে এত বছরেও নিজস্ব ক্যাম্পাস না থাকায় প্রশাসনিক ভবন, হোস্টেল, লাইব্রেরিসহ সব কার্যক্রমই ভাড়া করা ভবনে পরিচালিত হচ্ছে। নগরীর গোয়ালখালী, দৌলতপুরের দেয়ানা গ্রাম ও বয়রা এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে এসব অস্থায়ী ক্যাম্পাস।

বর্তমানে নতুন উপাচার্য ড. মোঃ নাজমুল আহসান দায়িত্ব গ্রহণের পর স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপনে নতুন গতি এসেছে। প্রায় ২৫০ একর জমি অধিগ্রহণের লক্ষ্যে একটি খসড়া পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় সীমানা নির্ধারণের কাজ চলছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে ২০২১ সালে ইউজিসির মাধ্যমে ১৫০০ একর জমি ও প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার মাস্টার প্লান প্রস্তাব করা হলেও পরে সরকার সেটি কমিয়ে ২৫০ একরের মধ্যে সীমিত করে এবং ব্যয় ধরা হয় প্রায় ২১০০ কোটি টাকা।

২০২৪ সালে রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে প্রকল্পটি কিছুটা পিছিয়ে গেলেও বর্তমানে ডিপিপি পুনর্গঠন করে পুনরায় কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফাইলটি এখন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), শিক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয় হয়ে একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

অধিগ্রহণের জন্য প্রস্তাবিত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে দৌলতপুরের দেয়ানা, রায়েরমহল ও খালিশপুর সংলগ্ন অঞ্চল এবং আড়ংঘাটা থানার পাহাড়পুর এলাকা।

এদিকে স্থায়ী ক্যাম্পাস বাস্তবায়নের উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আশাবাদ তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, এই বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে শিক্ষা, গবেষণা ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

উপাচার্য বলেন, আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে জমি অধিগ্রহণ ও স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু করতে চাই, যাতে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক শিক্ষা ও গবেষণা কেন্দ্রে পরিণত করা যায়।

#শিক্ষা_উন্নয়ন #খুলনা_কৃষি_বিশ্ববিদ্যালয় #স্থায়ী_ক্যাম্পাস

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬


৯ বছর পর স্থায়ী ক্যাম্পাস পাচ্ছে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬

featured Image

প্রতিষ্ঠার প্রায় ৯ বছর পর অবশেষে স্থায়ী ক্যাম্পাস পেতে যাচ্ছে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (খুকৃবি)। দীর্ঘদিন ভাড়া করা ভবনে কার্যক্রম পরিচালনার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে এখন বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত এই প্রকল্প।

২০১৫ সালের ৫ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাসের মাধ্যমে খুকৃবির ভিত্তি তৈরি হলেও ২০১৮ সালে উপাচার্য নিয়োগের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ২০১৯ সালে মাত্র ৮০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলেও বর্তমানে পাঁচটি অনুষদে প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন।

তবে এত বছরেও নিজস্ব ক্যাম্পাস না থাকায় প্রশাসনিক ভবন, হোস্টেল, লাইব্রেরিসহ সব কার্যক্রমই ভাড়া করা ভবনে পরিচালিত হচ্ছে। নগরীর গোয়ালখালী, দৌলতপুরের দেয়ানা গ্রাম ও বয়রা এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে এসব অস্থায়ী ক্যাম্পাস।

বর্তমানে নতুন উপাচার্য ড. মোঃ নাজমুল আহসান দায়িত্ব গ্রহণের পর স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপনে নতুন গতি এসেছে। প্রায় ২৫০ একর জমি অধিগ্রহণের লক্ষ্যে একটি খসড়া পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় সীমানা নির্ধারণের কাজ চলছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে ২০২১ সালে ইউজিসির মাধ্যমে ১৫০০ একর জমি ও প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার মাস্টার প্লান প্রস্তাব করা হলেও পরে সরকার সেটি কমিয়ে ২৫০ একরের মধ্যে সীমিত করে এবং ব্যয় ধরা হয় প্রায় ২১০০ কোটি টাকা।

২০২৪ সালে রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে প্রকল্পটি কিছুটা পিছিয়ে গেলেও বর্তমানে ডিপিপি পুনর্গঠন করে পুনরায় কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফাইলটি এখন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), শিক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয় হয়ে একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

অধিগ্রহণের জন্য প্রস্তাবিত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে দৌলতপুরের দেয়ানা, রায়েরমহল ও খালিশপুর সংলগ্ন অঞ্চল এবং আড়ংঘাটা থানার পাহাড়পুর এলাকা।

এদিকে স্থায়ী ক্যাম্পাস বাস্তবায়নের উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আশাবাদ তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, এই বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে শিক্ষা, গবেষণা ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

উপাচার্য বলেন, আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে জমি অধিগ্রহণ ও স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু করতে চাই, যাতে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক শিক্ষা ও গবেষণা কেন্দ্রে পরিণত করা যায়।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত