২০০৭ সালের ৭ই মে ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। ওই দিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত সফর শেষে ৫২ দিন পর দেশে ফেরেন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সেই সময় দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল অস্থির ও জটিল। এর আগে তাঁর দেশে ফেরার ওপর নিষেধাজ্ঞার কথাও উঠে আসে। এসব পরিস্থিতির মধ্যেই বিকেল ৫টার কিছু পরে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
বিমানবন্দরে নেমেই তিনি দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান। তবে রাজনীতি নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও তৎকালীন সরকারের প্রতি এক ধরনের সতর্কবার্তা দেন তিনি।
সেদিন শুরুতে বিমানবন্দর এলাকায় সীমিত সংখ্যক মানুষ থাকলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি বদলে যায়। মুহূর্তেই পুরো এলাকা হাজারো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ব্যানার–ফেস্টুন নিষিদ্ধ থাকলেও মানুষের আবেগে ভেসে যায় পুরো আয়োজন।
এরপর গাড়িবহর ও মিছিলসহ তিনি ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধু ভবনের উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং প্রায় তিন ঘণ্টা পর সেখানে পৌঁছান। সেখানে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পরে তিনি সুধা সদনে ফিরে যান। দিনটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি আলোচিত ও স্মরণীয় ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আছে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
২০০৭ সালের ৭ই মে ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। ওই দিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত সফর শেষে ৫২ দিন পর দেশে ফেরেন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সেই সময় দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল অস্থির ও জটিল। এর আগে তাঁর দেশে ফেরার ওপর নিষেধাজ্ঞার কথাও উঠে আসে। এসব পরিস্থিতির মধ্যেই বিকেল ৫টার কিছু পরে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
বিমানবন্দরে নেমেই তিনি দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান। তবে রাজনীতি নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও তৎকালীন সরকারের প্রতি এক ধরনের সতর্কবার্তা দেন তিনি।
সেদিন শুরুতে বিমানবন্দর এলাকায় সীমিত সংখ্যক মানুষ থাকলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি বদলে যায়। মুহূর্তেই পুরো এলাকা হাজারো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ব্যানার–ফেস্টুন নিষিদ্ধ থাকলেও মানুষের আবেগে ভেসে যায় পুরো আয়োজন।
এরপর গাড়িবহর ও মিছিলসহ তিনি ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধু ভবনের উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং প্রায় তিন ঘণ্টা পর সেখানে পৌঁছান। সেখানে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পরে তিনি সুধা সদনে ফিরে যান। দিনটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি আলোচিত ও স্মরণীয় ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আছে।
