রাজশাহীতে ৬০০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার হওয়া এক মাদক কারবারিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রাজশাহীর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-২য় আদালতের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর থানার মধুবন গ্রামের মৃত খলিলের ছেলে মো. খয়বর হোসেন ওরফে সুকুমার (৪৫)।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৮ জানুয়ারি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে র্যাব-৫, রাজশাহী খয়বর হোসেনকে ৬০০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করে। পরে এ ঘটনায় রাজশাহী মহানগরীর বেলপুকুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১)-এর ৮(গ) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।
তদন্ত শেষে বেলপুকুর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ, জব্দ তালিকা, আলামত ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় খয়বর হোসেনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আইন অনুযায়ী আরও নির্ধারিত মেয়াদের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের এ রায়ের মাধ্যমে মামলাটির নিষ্পত্তি হয়েছে।

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
রাজশাহীতে ৬০০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার হওয়া এক মাদক কারবারিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রাজশাহীর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-২য় আদালতের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর থানার মধুবন গ্রামের মৃত খলিলের ছেলে মো. খয়বর হোসেন ওরফে সুকুমার (৪৫)।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৮ জানুয়ারি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে র্যাব-৫, রাজশাহী খয়বর হোসেনকে ৬০০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করে। পরে এ ঘটনায় রাজশাহী মহানগরীর বেলপুকুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১)-এর ৮(গ) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।
তদন্ত শেষে বেলপুকুর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ, জব্দ তালিকা, আলামত ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় খয়বর হোসেনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আইন অনুযায়ী আরও নির্ধারিত মেয়াদের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের এ রায়ের মাধ্যমে মামলাটির নিষ্পত্তি হয়েছে।
