রংপুর জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ না পেয়ে ব্যাকডেটে রায় প্রদান, নোটিশ গোপন এবং পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জমির প্রকৃত মালিকদের ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান গত ৬ মে মহাপরিচালক, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। একই ধরনের অভিযোগ করেন ইনছার আলী নামে আরেক ব্যক্তি।
অভিযোগে বলা হয়, ৯৩/২৩ নম্বর মিসকেস চলাকালে ঘুষ দাবি করা হয় এবং তা না দেওয়ায় ২০২১ সালে তার বিপক্ষে রায় দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পুনরায় শুনানি চলমান থাকা অবস্থায় ২০২৫ ও ২০২৬ সালের তারিখ উল্লেখ করে ব্যাকডেটে রায় প্রদান করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
লুৎফর রহমানের অভিযোগ, তার বৈধ দলিল, নামজারি ও খাজনা থাকা সত্ত্বেও ২ লাখ টাকা ঘুষ না দেওয়ায় তার বিপক্ষে রায় দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, রায়ের তথ্য গোপন রাখা হয় এবং পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন তার বিপক্ষে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বিবাদীপক্ষের বৈধ কাগজপত্র যাচাই ছাড়াই তাদের অনুকূলে রায় দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা রায় বাতিল, সঠিক তদন্ত এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযুক্ত জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মোঃ নাজমুল হুদা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ সঠিক নয়।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
রংপুর জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ না পেয়ে ব্যাকডেটে রায় প্রদান, নোটিশ গোপন এবং পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জমির প্রকৃত মালিকদের ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান গত ৬ মে মহাপরিচালক, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। একই ধরনের অভিযোগ করেন ইনছার আলী নামে আরেক ব্যক্তি।
অভিযোগে বলা হয়, ৯৩/২৩ নম্বর মিসকেস চলাকালে ঘুষ দাবি করা হয় এবং তা না দেওয়ায় ২০২১ সালে তার বিপক্ষে রায় দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পুনরায় শুনানি চলমান থাকা অবস্থায় ২০২৫ ও ২০২৬ সালের তারিখ উল্লেখ করে ব্যাকডেটে রায় প্রদান করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
লুৎফর রহমানের অভিযোগ, তার বৈধ দলিল, নামজারি ও খাজনা থাকা সত্ত্বেও ২ লাখ টাকা ঘুষ না দেওয়ায় তার বিপক্ষে রায় দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, রায়ের তথ্য গোপন রাখা হয় এবং পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন তার বিপক্ষে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বিবাদীপক্ষের বৈধ কাগজপত্র যাচাই ছাড়াই তাদের অনুকূলে রায় দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা রায় বাতিল, সঠিক তদন্ত এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযুক্ত জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মোঃ নাজমুল হুদা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ সঠিক নয়।
