রোববার, ১০ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

পিবিআই’র চাঞ্চল্যকর সাফল্য

পূবাইলে কুলসুম হত্যাকাণ্ড ৩ শ্রমিক আটক, রহস্য উন্মোচন

পূবাইলে কুলসুম হত্যাকাণ্ড ৩ শ্রমিক আটক, রহস্য উন্মোচন
পূবাইলে কুলসুম হত্যায় জরিত ৩ জন আসামী। ছবি: চেকপোস্ট

গাজীপুরের পূবাইল-এর মেঘডুবি এলাকায় মুদি দোকানী কুলসুম আক্তার (৪৬) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআই।

গত ২৬ এপ্রিল বিকেলে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডে এলাকায় চরম চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পিবিআই রংপুর থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া থানার কামরুজ্জামান ৩৫, আমজাদ হোসেন ৩০ এবং আফজাল হোসেন ৩৩। তারা সবাই স্থানীয় একটি পলিমার কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

তদন্তে জানা যায়, ভুক্তভোগী কুলসুম আক্তারের দোকান থেকে বাকিতে পণ্য নেওয়া ও পরবর্তীতে টাকা পরিশোধ না করাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধ থেকেই তারা ডাকাতির পরিকল্পনা করে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৫ এপ্রিল রাতে তারা কুলসুমকে ভ্রান্তভাবে জানায় যে, পরদিন তার বাসায় তারা কিছু সময় কাটাতে আসবে। পরদিন ২৬ এপ্রিল তারা ঘরে প্রবেশ করে এনার্জি ড্রিংকসে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে অচেতন করে ফেলে।

এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে কুলসুমকে হত্যা করা হয় এবং ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যায় তারা। পরে এসব সামগ্রী বিক্রি করতে গিয়ে তারা বুঝতে পারে কিছু গহনা আসলে নকল।

পিবিআই জানিয়েছে, আটক তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।

#গাজীপুর_নিভজ #পূবাইল #হত্যাকাণ্ড_উন্মোচন

চেকপোস্ট

রোববার, ১০ মে ২০২৬


পূবাইলে কুলসুম হত্যাকাণ্ড ৩ শ্রমিক আটক, রহস্য উন্মোচন

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image

গাজীপুরের পূবাইল-এর মেঘডুবি এলাকায় মুদি দোকানী কুলসুম আক্তার (৪৬) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআই।

গত ২৬ এপ্রিল বিকেলে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডে এলাকায় চরম চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পিবিআই রংপুর থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া থানার কামরুজ্জামান ৩৫, আমজাদ হোসেন ৩০ এবং আফজাল হোসেন ৩৩। তারা সবাই স্থানীয় একটি পলিমার কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

তদন্তে জানা যায়, ভুক্তভোগী কুলসুম আক্তারের দোকান থেকে বাকিতে পণ্য নেওয়া ও পরবর্তীতে টাকা পরিশোধ না করাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধ থেকেই তারা ডাকাতির পরিকল্পনা করে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৫ এপ্রিল রাতে তারা কুলসুমকে ভ্রান্তভাবে জানায় যে, পরদিন তার বাসায় তারা কিছু সময় কাটাতে আসবে। পরদিন ২৬ এপ্রিল তারা ঘরে প্রবেশ করে এনার্জি ড্রিংকসে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে অচেতন করে ফেলে।

এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে কুলসুমকে হত্যা করা হয় এবং ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যায় তারা। পরে এসব সামগ্রী বিক্রি করতে গিয়ে তারা বুঝতে পারে কিছু গহনা আসলে নকল।

পিবিআই জানিয়েছে, আটক তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত