সোমবার, ১১ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

ইসলাম

কোরআনে বর্ণিত এক মহীয়সী নারীর দৃষ্টান্ত

জান্নাতে আল্লাহর পাশে ঘর চেয়েছিলেন ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া

জান্নাতে আল্লাহর পাশে ঘর চেয়েছিলেন ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া
ছবি: সংগৃহীত

ফেরাউনের প্রাসাদে থেকেও ঈমান ও সত্যের পথে অটল থাকার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন হজরত আসিয়া (আ.)। তিনি ছিলেন মিসরের অত্যাচারী শাসক ফেরাউনের স্ত্রী, কিন্তু স্বামীর অন্যায় ও অহংকারকে কখনো সমর্থন করেননি।

ইতিহাস ও তাফসির অনুযায়ী, হজরত মুসা (আ.)-কে শৈশবে নীল নদ থেকে উদ্ধার করে লালন-পালনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন আসিয়া। তাঁর মানবিকতা, দয়া ও আল্লাহর প্রতি গভীর বিশ্বাস তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে।

ফেরাউন নিজেকে প্রভু দাবি করলেও আসিয়া এক আল্লাহর ওপর ঈমান আনেন এবং সেই বিশ্বাসে অটল থাকেন। এ কারণে তাকে চরম নির্যাতনের শিকার হতে হয়। বিভিন্ন বর্ণনায় রয়েছে, তাকে পেরেক দিয়ে বেঁধে রোদে ফেলে রাখা হয় এবং নির্মম অত্যাচার করা হয়।

তবুও তিনি ঈমান থেকে বিচ্যুত হননি। বরং দুনিয়ার রাজকীয় জীবন ত্যাগ করে আল্লাহর কাছে জান্নাতে একটি ঘরের প্রার্থনা করেন।

পবিত্র কোরআনে তাঁর সেই প্রার্থনা উল্লেখ করা হয়েছে
হে আমার প্রতিপালক, আপনার কাছে জান্নাতে আমার জন্য একটি ঘর নির্মাণ করুন এবং আমাকে ফেরাউন ও তার দুষ্কর্ম থেকে রক্ষা করুন। (সুরা তাহরিম, আয়াত: ১১)

ইসলামের ইতিহাসে হজরত আসিয়া (আ.) ঈমান, ধৈর্য ও ত্যাগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছেন।

#ইসলামিক_ইতিহাস #হযরত_আসিয়া #কোরআনের_কাহিনী

চেকপোস্ট

সোমবার, ১১ মে ২০২৬


জান্নাতে আল্লাহর পাশে ঘর চেয়েছিলেন ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image

ফেরাউনের প্রাসাদে থেকেও ঈমান ও সত্যের পথে অটল থাকার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন হজরত আসিয়া (আ.)। তিনি ছিলেন মিসরের অত্যাচারী শাসক ফেরাউনের স্ত্রী, কিন্তু স্বামীর অন্যায় ও অহংকারকে কখনো সমর্থন করেননি।

ইতিহাস ও তাফসির অনুযায়ী, হজরত মুসা (আ.)-কে শৈশবে নীল নদ থেকে উদ্ধার করে লালন-পালনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন আসিয়া। তাঁর মানবিকতা, দয়া ও আল্লাহর প্রতি গভীর বিশ্বাস তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে।

ফেরাউন নিজেকে প্রভু দাবি করলেও আসিয়া এক আল্লাহর ওপর ঈমান আনেন এবং সেই বিশ্বাসে অটল থাকেন। এ কারণে তাকে চরম নির্যাতনের শিকার হতে হয়। বিভিন্ন বর্ণনায় রয়েছে, তাকে পেরেক দিয়ে বেঁধে রোদে ফেলে রাখা হয় এবং নির্মম অত্যাচার করা হয়।

তবুও তিনি ঈমান থেকে বিচ্যুত হননি। বরং দুনিয়ার রাজকীয় জীবন ত্যাগ করে আল্লাহর কাছে জান্নাতে একটি ঘরের প্রার্থনা করেন।

পবিত্র কোরআনে তাঁর সেই প্রার্থনা উল্লেখ করা হয়েছে
হে আমার প্রতিপালক, আপনার কাছে জান্নাতে আমার জন্য একটি ঘর নির্মাণ করুন এবং আমাকে ফেরাউন ও তার দুষ্কর্ম থেকে রক্ষা করুন। (সুরা তাহরিম, আয়াত: ১১)

ইসলামের ইতিহাসে হজরত আসিয়া (আ.) ঈমান, ধৈর্য ও ত্যাগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত