দীর্ঘ ১৭ বছরের জঞ্জাল একদিনে দূর করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ জি কে গউছ। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র চার মাস। তাই অতীতের নানা সমস্যা সমাধানে কিছুটা সময় লাগবে।
শনিবার সকালে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার গোপায়া ইউনিয়নের পূর্ব ভাদৈ এলাকায় খোয়াই নদীর ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
হুইপ জি কে গউছ বলেন, দীর্ঘদিন একটি অনির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিল। জনগণের কাছে তাদের কোনো জবাবদিহিতা না থাকায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দৃশ্যমান ভূমিকা রাখতে পারেনি। বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করছে এবং ধাপে ধাপে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করা হবে।
তিনি জানান, খোয়াই নদীর ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ সংস্কারের জন্য ৭ কোটি ৩২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব বাঁধের দুর্বল অংশ সংস্কার করা হবে এবং চলতি মৌসুমের মধ্যেই কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হবে।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সায়েদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মঈনুল হক, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী এনামুল হক, তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফরিদ, অ্যাডভোকেট গুলজার খানসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
দীর্ঘ ১৭ বছরের জঞ্জাল একদিনে দূর করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ জি কে গউছ। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র চার মাস। তাই অতীতের নানা সমস্যা সমাধানে কিছুটা সময় লাগবে।
শনিবার সকালে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার গোপায়া ইউনিয়নের পূর্ব ভাদৈ এলাকায় খোয়াই নদীর ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
হুইপ জি কে গউছ বলেন, দীর্ঘদিন একটি অনির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিল। জনগণের কাছে তাদের কোনো জবাবদিহিতা না থাকায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দৃশ্যমান ভূমিকা রাখতে পারেনি। বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করছে এবং ধাপে ধাপে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করা হবে।
তিনি জানান, খোয়াই নদীর ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ সংস্কারের জন্য ৭ কোটি ৩২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব বাঁধের দুর্বল অংশ সংস্কার করা হবে এবং চলতি মৌসুমের মধ্যেই কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হবে।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সায়েদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মঈনুল হক, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী এনামুল হক, তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফরিদ, অ্যাডভোকেট গুলজার খানসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
