অনৈতিক কর্মকাণ্ড, সমকামিতা এবং এক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের হাবিপ্রবি চারজন শিক্ষার্থীকে সকল একাডেমিক কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার ১৯ মে ২০২৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রফেসর ড. মো. আবু হাসান স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি অফিস আদেশের মাধ্যমে এই বহিষ্কারাদেশ জারি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন ও শৃঙ্খলা কমিটির ২৫তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের আলোকে প্রশাসন এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম অফিস আদেশ থেকে জানা যায়, গত ১৫ মে ২০২৬ তারিখে ডিভিএম গেটের বিপরীতে আল আমিন টাওয়ার মেসে ইসিই বিভাগের শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিব শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের লেভেল-১, সেমিস্টার-১ এর শিক্ষার্থী মো. আতিকুর রহমান এই নির্যাতন চালান বলে অভিযোগ প্রমাণিত হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে এবং এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শৃঙ্খিলা অধ্যাদেশ এর ১৫ ধারা মোতাবেক অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সমকামিতা হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত মো. আতিকুর রহমানকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়।
অন্য এক অফিস আদেশে জানা যায়, গত ১৬ মে ২০২৬ তারিখে বাঁশেরহাট এলাকার হেভেন সিটি নামক স্থানে মেসের পাশে ফিশারিজ অনুষদের তিন শিক্ষার্থী বিকৃত ও অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকা অবস্থায় প্রাথমিক পর্যায়ে অভিযুক্ত হন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং আবাসন ও শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক এই তিনজনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। আদেশে এই কর্মকাণ্ডকেও শৃঙ্খলা বিধির ১৫ ধারা মোতাবেক অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সমকামিতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বহিষ্কৃত ওই তিন শিক্ষার্থী হলেন ফিশারিজ অনুষদের লেভেল-১, সেমিস্টার-২ এর মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. রবিউল ইসলাম এবং লেভেল-১, সেমিস্টার-১ এর মো. কাওছার হোসেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. এস এম এমদাদুল হাসান বলেন, অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে তাদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হলে তাদের স্থায়ী বহিস্কার করা হবে ।

বুধবার, ২০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
অনৈতিক কর্মকাণ্ড, সমকামিতা এবং এক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের হাবিপ্রবি চারজন শিক্ষার্থীকে সকল একাডেমিক কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার ১৯ মে ২০২৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রফেসর ড. মো. আবু হাসান স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি অফিস আদেশের মাধ্যমে এই বহিষ্কারাদেশ জারি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন ও শৃঙ্খলা কমিটির ২৫তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের আলোকে প্রশাসন এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম অফিস আদেশ থেকে জানা যায়, গত ১৫ মে ২০২৬ তারিখে ডিভিএম গেটের বিপরীতে আল আমিন টাওয়ার মেসে ইসিই বিভাগের শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিব শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের লেভেল-১, সেমিস্টার-১ এর শিক্ষার্থী মো. আতিকুর রহমান এই নির্যাতন চালান বলে অভিযোগ প্রমাণিত হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে এবং এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শৃঙ্খিলা অধ্যাদেশ এর ১৫ ধারা মোতাবেক অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সমকামিতা হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত মো. আতিকুর রহমানকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়।
অন্য এক অফিস আদেশে জানা যায়, গত ১৬ মে ২০২৬ তারিখে বাঁশেরহাট এলাকার হেভেন সিটি নামক স্থানে মেসের পাশে ফিশারিজ অনুষদের তিন শিক্ষার্থী বিকৃত ও অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকা অবস্থায় প্রাথমিক পর্যায়ে অভিযুক্ত হন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং আবাসন ও শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক এই তিনজনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। আদেশে এই কর্মকাণ্ডকেও শৃঙ্খলা বিধির ১৫ ধারা মোতাবেক অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সমকামিতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বহিষ্কৃত ওই তিন শিক্ষার্থী হলেন ফিশারিজ অনুষদের লেভেল-১, সেমিস্টার-২ এর মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. রবিউল ইসলাম এবং লেভেল-১, সেমিস্টার-১ এর মো. কাওছার হোসেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. এস এম এমদাদুল হাসান বলেন, অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে তাদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হলে তাদের স্থায়ী বহিস্কার করা হবে ।
