চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী এলাকায় অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কার্যালয় থেকে নরেন ধর (৩৮) নামে এক নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলশী থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত নজরুল ইসলাম।
পুলিশ জানায়, নরেন ধর ওই হাইকমিশন কার্যালয়ে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সোমবার রাতে তিনি ডরমিটরিতে ঘুমাতে যান। পরদিন মঙ্গলবার সকালে তার কোনো সাড়া না পেয়ে সহকর্মীরা বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, মরদেহের শরীরে প্রাথমিকভাবে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এদিকে স্থানীয়দের কয়েকজন জানান, সকাল থেকেই হাইকমিশন কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পরে একটি অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহটি হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

বুধবার, ২০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী এলাকায় অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কার্যালয় থেকে নরেন ধর (৩৮) নামে এক নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলশী থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত নজরুল ইসলাম।
পুলিশ জানায়, নরেন ধর ওই হাইকমিশন কার্যালয়ে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সোমবার রাতে তিনি ডরমিটরিতে ঘুমাতে যান। পরদিন মঙ্গলবার সকালে তার কোনো সাড়া না পেয়ে সহকর্মীরা বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, মরদেহের শরীরে প্রাথমিকভাবে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এদিকে স্থানীয়দের কয়েকজন জানান, সকাল থেকেই হাইকমিশন কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পরে একটি অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহটি হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
