ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলা-এর মশানগাঁও সীমান্তে টানা প্রায় ৭২ ঘণ্টা ধরে শূন্যরেখায় অবস্থান করা অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুসহ ১১ জনকে অবশেষে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এর মধ্য দিয়ে কয়েকদিন ধরে চলা মানবিক সংকটের অবসান ঘটেছে।
সোমবার (৮ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-এর দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, রোববার গভীর রাতে বিএসএফ শূন্যরেখায় অবস্থানরত ১১ জনকে সেখান থেকে সরিয়ে ভারতের ভেতরে নিয়ে যায়। ওই দলে তিনজন পুরুষ, চারজন নারী এবং চারজন শিশু ছিলেন। বর্তমানে সীমান্তের ওই এলাকায় তাদের আর অবস্থান নেই।
এর আগে শুক্রবার গভীর রাতে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা হলে স্থানীয়দের সতর্কতা এবং বিজিবির তৎপরতায় তা প্রতিহত হয়। পরে সংশ্লিষ্ট ১১ জন সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করতে বাধ্য হন। তাদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী ও কয়েকজন শিশু থাকায় বিষয়টি মানবিক উদ্বেগের কারণ হয়ে ওঠে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকদিন ধরে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করায় নারী ও শিশুদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছিল। ঘটনাটি সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা পুশইনের চেষ্টা প্রতিরোধে নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে হরিপুর সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি শান্ত ও স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলা-এর মশানগাঁও সীমান্তে টানা প্রায় ৭২ ঘণ্টা ধরে শূন্যরেখায় অবস্থান করা অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুসহ ১১ জনকে অবশেষে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এর মধ্য দিয়ে কয়েকদিন ধরে চলা মানবিক সংকটের অবসান ঘটেছে।
সোমবার (৮ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-এর দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, রোববার গভীর রাতে বিএসএফ শূন্যরেখায় অবস্থানরত ১১ জনকে সেখান থেকে সরিয়ে ভারতের ভেতরে নিয়ে যায়। ওই দলে তিনজন পুরুষ, চারজন নারী এবং চারজন শিশু ছিলেন। বর্তমানে সীমান্তের ওই এলাকায় তাদের আর অবস্থান নেই।
এর আগে শুক্রবার গভীর রাতে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা হলে স্থানীয়দের সতর্কতা এবং বিজিবির তৎপরতায় তা প্রতিহত হয়। পরে সংশ্লিষ্ট ১১ জন সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করতে বাধ্য হন। তাদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী ও কয়েকজন শিশু থাকায় বিষয়টি মানবিক উদ্বেগের কারণ হয়ে ওঠে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকদিন ধরে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করায় নারী ও শিশুদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছিল। ঘটনাটি সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা পুশইনের চেষ্টা প্রতিরোধে নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে হরিপুর সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি শান্ত ও স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
