গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় পৃথক দুটি স্থান থেকে বৃদ্ধাসহ দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার খাগড়াবাড়িয়া ও সাফলীডাঙ্গা গ্রাম থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি ইউনিয়নের খাগড়াবাড়িয়া গ্রামের মৃত মালেক শেখের স্ত্রী রাহাতুন বেগম (৭৫) এবং ফুকরা ইউনিয়নের সাফলীডাঙ্গা গ্রামের ইমরান শেখের স্ত্রী সানজিদা বেগম (৩০)।
ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ মুকসুদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাফিছুর রহমান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাহাতুন বেগম মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। গত শুক্রবার রাতে তিনি নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি।
মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ির কাছের একটি পুকুরে স্থানীয়রা তার মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
অন্যদিকে, একই উপজেলার সাফলীডাঙ্গা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে সানজিদা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে স্বামী ইমরান শেখের সঙ্গে সানজিদার মনোমালিন্য চলছিল। সোমবার রাতে স্বামীর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ার পর তিনি প্রতিবেশীদের কাছে খোঁজ নেন। পরে বাড়িতে ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন।
রাতে প্রতিবেশী বিলকিস বেগম খোঁজ নিতে গিয়ে জানালা দিয়ে সানজিদাকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে সকালে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
সহকারী পুলিশ সুপার নাফিছুর রহমান জানান, দুই নারীর মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় পৃথক দুটি স্থান থেকে বৃদ্ধাসহ দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার খাগড়াবাড়িয়া ও সাফলীডাঙ্গা গ্রাম থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি ইউনিয়নের খাগড়াবাড়িয়া গ্রামের মৃত মালেক শেখের স্ত্রী রাহাতুন বেগম (৭৫) এবং ফুকরা ইউনিয়নের সাফলীডাঙ্গা গ্রামের ইমরান শেখের স্ত্রী সানজিদা বেগম (৩০)।
ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ মুকসুদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাফিছুর রহমান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাহাতুন বেগম মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। গত শুক্রবার রাতে তিনি নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি।
মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ির কাছের একটি পুকুরে স্থানীয়রা তার মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
অন্যদিকে, একই উপজেলার সাফলীডাঙ্গা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে সানজিদা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে স্বামী ইমরান শেখের সঙ্গে সানজিদার মনোমালিন্য চলছিল। সোমবার রাতে স্বামীর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ার পর তিনি প্রতিবেশীদের কাছে খোঁজ নেন। পরে বাড়িতে ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন।
রাতে প্রতিবেশী বিলকিস বেগম খোঁজ নিতে গিয়ে জানালা দিয়ে সানজিদাকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে সকালে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
সহকারী পুলিশ সুপার নাফিছুর রহমান জানান, দুই নারীর মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
