কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি মো. জিল্লুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে নিজেকে তার স্ত্রী দাবি করে অনশনে বসেছেন একই গ্রামের বাসিন্দা মোছা. মনিকা খাতুন। ঘটনাটি ঘিরে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অনশনরত মনিকা খাতুনের দাবি, প্রায় ৭ থেকে ৮ বছর আগে মো. জিল্লুর রহমান তাকে বিয়ে করেন। এরপর দীর্ঘদিন তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একসঙ্গে জীবনযাপন করেছেন। তবে বর্তমানে জিল্লুর রহমান তাকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ কারণেই স্বীকৃতির দাবিতে তিনি জিল্লুর রহমানের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেছেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক ব্যক্তি জানান, তিনি একাধিকবার জিল্লুর রহমানের সঙ্গে মনিকার বাড়িতে গিয়েছেন। তার দাবি, তিনি তাদের বৈবাহিক সম্পর্কের বিষয়টি আগে থেকেই জানতেন।
জিল্লুর রহমানের বাড়ির পাশের এক আত্মীয়, যিনি মনিকার বাড়ির পাশের মসজিদের ইমামও, বলেন, যদি সত্যিই তাদের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক থেকে থাকে, তাহলে বিষয়টি পারিবারিকভাবে সমাধান হওয়া উচিত।
এদিকে জিল্লুর রহমানের বড় ভাই বলেন, মেয়ের কাছে যদি বিয়ের স্মারক বা বৈধ প্রমাণ থাকে, তাহলে আমরা বিষয়টি মেনে নেব।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জিল্লুর রহমান বর্তমানে বিবাহিত এবং তার একটি সন্তান রয়েছে, যে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে মো. জিল্লুর রহমানের বক্তব্য এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, মনিকা খাতুনের অভিযোগ, স্থানীয় ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং অন্যান্য তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টির প্রকৃত সত্যতা ও আইনগত অবস্থান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি মো. জিল্লুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে নিজেকে তার স্ত্রী দাবি করে অনশনে বসেছেন একই গ্রামের বাসিন্দা মোছা. মনিকা খাতুন। ঘটনাটি ঘিরে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অনশনরত মনিকা খাতুনের দাবি, প্রায় ৭ থেকে ৮ বছর আগে মো. জিল্লুর রহমান তাকে বিয়ে করেন। এরপর দীর্ঘদিন তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একসঙ্গে জীবনযাপন করেছেন। তবে বর্তমানে জিল্লুর রহমান তাকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ কারণেই স্বীকৃতির দাবিতে তিনি জিল্লুর রহমানের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেছেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক ব্যক্তি জানান, তিনি একাধিকবার জিল্লুর রহমানের সঙ্গে মনিকার বাড়িতে গিয়েছেন। তার দাবি, তিনি তাদের বৈবাহিক সম্পর্কের বিষয়টি আগে থেকেই জানতেন।
জিল্লুর রহমানের বাড়ির পাশের এক আত্মীয়, যিনি মনিকার বাড়ির পাশের মসজিদের ইমামও, বলেন, যদি সত্যিই তাদের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক থেকে থাকে, তাহলে বিষয়টি পারিবারিকভাবে সমাধান হওয়া উচিত।
এদিকে জিল্লুর রহমানের বড় ভাই বলেন, মেয়ের কাছে যদি বিয়ের স্মারক বা বৈধ প্রমাণ থাকে, তাহলে আমরা বিষয়টি মেনে নেব।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জিল্লুর রহমান বর্তমানে বিবাহিত এবং তার একটি সন্তান রয়েছে, যে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে মো. জিল্লুর রহমানের বক্তব্য এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, মনিকা খাতুনের অভিযোগ, স্থানীয় ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং অন্যান্য তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টির প্রকৃত সত্যতা ও আইনগত অবস্থান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
