ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের তুল্লাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে এক তরুণীকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। অপহরণের চেষ্টার শিকার শিশু শিক্ষার্থীর নাম জান্নাত (৫)। সে তুল্লাপাড়া গ্রামের আব্দুল বাছিরের মেয়ে এবং বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির ছাত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে সুমাইয়া আক্তার (২০) নামের এক তরুণী বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে নিজেকে শিশুটির ‘খালাম্মা’ পরিচয় দেন। পরে তিনি জান্নাতকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে শিক্ষক ও উপস্থিত অভিভাবকদের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
এরপর স্থানীয়রা আটক তরুণীকে নাসিরনগর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আটক সুমাইয়া আক্তারের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায়।
নাসিরনগর থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে শিশুটি বর্তমানে নিরাপদে পরিবারের জিম্মায় রয়েছে।
উল্লেখ্য, এটি অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ তদন্ত শেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের তুল্লাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে এক তরুণীকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। অপহরণের চেষ্টার শিকার শিশু শিক্ষার্থীর নাম জান্নাত (৫)। সে তুল্লাপাড়া গ্রামের আব্দুল বাছিরের মেয়ে এবং বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির ছাত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে সুমাইয়া আক্তার (২০) নামের এক তরুণী বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে নিজেকে শিশুটির ‘খালাম্মা’ পরিচয় দেন। পরে তিনি জান্নাতকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে শিক্ষক ও উপস্থিত অভিভাবকদের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
এরপর স্থানীয়রা আটক তরুণীকে নাসিরনগর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আটক সুমাইয়া আক্তারের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায়।
নাসিরনগর থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে শিশুটি বর্তমানে নিরাপদে পরিবারের জিম্মায় রয়েছে।
উল্লেখ্য, এটি অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ তদন্ত শেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।
