বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করছে পুলিশ

সোনাতলায় নিখোঁজের তিন দিন পর ধানক্ষেত থেকে ৭ বছরের শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

সোনাতলায় নিখোঁজের তিন দিন পর ধানক্ষেত থেকে ৭ বছরের শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
ছবি : চেকপোস্ট

বগুড়ার সোনাতলায় নিখোঁজের তিন দিন পর ইউসুফ আলী (৭) নামে এক শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) উপজেলার বড়বালুয়া গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তিন দিন নিখোঁজ ছিল শিশু ইউসুফ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ অক্টোবর সন্ধ্যায় নিখোঁজ হয় ইউসুফ। পরদিন ১২ অক্টোবর তার সৎ বাবা উজ্জল হোসেন সোনাতলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

নিখোঁজের তিন দিন পর পরিবারের ভাড়া বাসার পূর্ব পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ইউসুফ তার মা রিনি বেগম ও সৎ বাবা উজ্জল হোসেনের সঙ্গে সোনাতলা উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের বড়বালুয়া গ্রামের একটি ভাড়া বাসায় থাকত। সেখান থেকেই নিখোঁজ হয়েছিল সে।

মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের পর ভাড়া বাসায় বসবাস

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইউসুফের মা রিনি বেগমের প্রথম বিয়ে হয়েছিল বগুড়া সদরের ফাঁপোর ইউনিয়নের কামারগাড়ী গ্রামের পলাশ মিয়ার সঙ্গে। তাঁদের সংসারেই জন্ম হয় ইউসুফের।

পরে পলাশ দ্বিতীয় বিয়ে করলে প্রায় দেড় বছর আগে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করতেন রিনি বেগম।

প্রায় সাত থেকে আট মাস আগে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার দারিদহ এলাকার ময়দানহাটা গ্রামের উজ্জল হোসেনের সঙ্গে দ্বিতীয়বার বিয়ে হয় রিনি বেগমের। বিয়ের পর থেকে তাঁরা সোনাতলার বড়বালুয়া গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। তাঁদের সঙ্গেই থাকত ইউসুফ।

ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে মরদেহ

সোনাতলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি নিখোঁজ শিশু ইউসুফের বলে তার মা-বাবা শনাক্ত করেছেন। মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর কারণ জানার চেষ্টা চলছে।

#সোনাতলা #বগুড়ারখবর #শিশুরমরদেহ উদ্ধার

চেকপোস্ট

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


সোনাতলায় নিখোঁজের তিন দিন পর ধানক্ষেত থেকে ৭ বছরের শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বগুড়ার সোনাতলায় নিখোঁজের তিন দিন পর ইউসুফ আলী (৭) নামে এক শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) উপজেলার বড়বালুয়া গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তিন দিন নিখোঁজ ছিল শিশু ইউসুফ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ অক্টোবর সন্ধ্যায় নিখোঁজ হয় ইউসুফ। পরদিন ১২ অক্টোবর তার সৎ বাবা উজ্জল হোসেন সোনাতলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

নিখোঁজের তিন দিন পর পরিবারের ভাড়া বাসার পূর্ব পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ইউসুফ তার মা রিনি বেগম ও সৎ বাবা উজ্জল হোসেনের সঙ্গে সোনাতলা উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের বড়বালুয়া গ্রামের একটি ভাড়া বাসায় থাকত। সেখান থেকেই নিখোঁজ হয়েছিল সে।

মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের পর ভাড়া বাসায় বসবাস

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইউসুফের মা রিনি বেগমের প্রথম বিয়ে হয়েছিল বগুড়া সদরের ফাঁপোর ইউনিয়নের কামারগাড়ী গ্রামের পলাশ মিয়ার সঙ্গে। তাঁদের সংসারেই জন্ম হয় ইউসুফের।

পরে পলাশ দ্বিতীয় বিয়ে করলে প্রায় দেড় বছর আগে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করতেন রিনি বেগম।

প্রায় সাত থেকে আট মাস আগে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার দারিদহ এলাকার ময়দানহাটা গ্রামের উজ্জল হোসেনের সঙ্গে দ্বিতীয়বার বিয়ে হয় রিনি বেগমের। বিয়ের পর থেকে তাঁরা সোনাতলার বড়বালুয়া গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। তাঁদের সঙ্গেই থাকত ইউসুফ।

ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে মরদেহ

সোনাতলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি নিখোঁজ শিশু ইউসুফের বলে তার মা-বাবা শনাক্ত করেছেন। মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর কারণ জানার চেষ্টা চলছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত