পাবনার বেড়া উপজেলার যমুনা নদীর নাকালিয়া ঘাট এলাকায় মা-ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ২ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। এ সময় জালে আটকে থাকা প্রায় ৫ কেজি ডিমওয়ালা মা-ইলিশ উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে ‘মা-ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬’-এর অংশ হিসেবে যমুনা নদীর নাকালিয়া ঘাটের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বেড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মোকাররম হোসেন।
উপজেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রজনন মৌসুমে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে একশ্রেণির অসাধু জেলে যমুনা নদীতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছেন—এমন খবরের ভিত্তিতে নদীতে টহল ও তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় প্রায় ২ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরে জালে আটকে থাকা ডিমওয়ালা মা-ইলিশগুলো উদ্ধার করা হয়।
অভিযান শেষে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে নাকালিয়া ঘাটে জব্দ করা কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অন্যদিকে, উদ্ধার করা প্রায় ৫ কেজি মা-ইলিশ স্থানীয় নতুন পেঁচাকোলা দারুল উলুম রাহিমিয়া হাফিজিয়া কওমিয়া মাদ্রাসার এতিমখানায় হস্তান্তর করা হয়।
বেড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মোকাররম হোসেন বলেন, মা-ইলিশের অবাধ প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে জাতীয় ইলিশ সম্পদ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর। নিষিদ্ধ সময়ে যমুনা নদীতে অবৈধভাবে মাছ শিকার কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।
তিনি আরও জানান, অসাধু মাছ শিকারিদের প্রতিরোধে যমুনা নদীতে মৎস্য বিভাগের নজরদারি ও আকস্মিক অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
মা-ইলিশ সংরক্ষণে মৎস্য বিভাগের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাঁদের মতে, প্রজনন মৌসুমে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা গেলে ইলিশের বংশবৃদ্ধি ও জাতীয় এ সম্পদ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
পাবনার বেড়া উপজেলার যমুনা নদীর নাকালিয়া ঘাট এলাকায় মা-ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ২ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। এ সময় জালে আটকে থাকা প্রায় ৫ কেজি ডিমওয়ালা মা-ইলিশ উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে ‘মা-ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬’-এর অংশ হিসেবে যমুনা নদীর নাকালিয়া ঘাটের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বেড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মোকাররম হোসেন।
উপজেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রজনন মৌসুমে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে একশ্রেণির অসাধু জেলে যমুনা নদীতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছেন—এমন খবরের ভিত্তিতে নদীতে টহল ও তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় প্রায় ২ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরে জালে আটকে থাকা ডিমওয়ালা মা-ইলিশগুলো উদ্ধার করা হয়।
অভিযান শেষে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে নাকালিয়া ঘাটে জব্দ করা কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অন্যদিকে, উদ্ধার করা প্রায় ৫ কেজি মা-ইলিশ স্থানীয় নতুন পেঁচাকোলা দারুল উলুম রাহিমিয়া হাফিজিয়া কওমিয়া মাদ্রাসার এতিমখানায় হস্তান্তর করা হয়।
বেড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মোকাররম হোসেন বলেন, মা-ইলিশের অবাধ প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে জাতীয় ইলিশ সম্পদ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর। নিষিদ্ধ সময়ে যমুনা নদীতে অবৈধভাবে মাছ শিকার কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।
তিনি আরও জানান, অসাধু মাছ শিকারিদের প্রতিরোধে যমুনা নদীতে মৎস্য বিভাগের নজরদারি ও আকস্মিক অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
মা-ইলিশ সংরক্ষণে মৎস্য বিভাগের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাঁদের মতে, প্রজনন মৌসুমে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা গেলে ইলিশের বংশবৃদ্ধি ও জাতীয় এ সম্পদ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
