নীলফামারীর সৈয়দপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে সৈয়দপুর ক্যান্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) দুপুরে কলেজের পূর্ব পাশে মাস্টারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিক্ষার্থীর নাম রাফিদ রহমান কাব্য (১৬)। তিনি সৈয়দপুর ক্যান্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ–এর এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।
তার বাড়ি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিকনমাটি এলাকায়। তিনি মাস্টারপাড়ায় একটি মেসে থেকে পড়াশোনা করতেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার দিন কাব্যসহ ৭ বন্ধু কলেজ মাঠে ফুটবল খেলার পর পাশের পুকুরে গোসলে নামে। সাঁতরে মাঝপুকুরে যাওয়ার পর ফেরার সময় হঠাৎ তিনি পানিতে তলিয়ে যান।
বন্ধুরা তাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হলে নির্মাণকাজে থাকা শ্রমিকদের ডেকে আনে। পরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ)–এ নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বিকেল সাড়ে ৫টায় তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর গ্রামের বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এ ঘটনায় সহপাঠী ও শিক্ষকরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, একজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে হারিয়ে তারা শোকাহত।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে সৈয়দপুর ক্যান্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) দুপুরে কলেজের পূর্ব পাশে মাস্টারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিক্ষার্থীর নাম রাফিদ রহমান কাব্য (১৬)। তিনি সৈয়দপুর ক্যান্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ–এর এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।
তার বাড়ি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিকনমাটি এলাকায়। তিনি মাস্টারপাড়ায় একটি মেসে থেকে পড়াশোনা করতেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার দিন কাব্যসহ ৭ বন্ধু কলেজ মাঠে ফুটবল খেলার পর পাশের পুকুরে গোসলে নামে। সাঁতরে মাঝপুকুরে যাওয়ার পর ফেরার সময় হঠাৎ তিনি পানিতে তলিয়ে যান।
বন্ধুরা তাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হলে নির্মাণকাজে থাকা শ্রমিকদের ডেকে আনে। পরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ)–এ নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বিকেল সাড়ে ৫টায় তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর গ্রামের বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এ ঘটনায় সহপাঠী ও শিক্ষকরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, একজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে হারিয়ে তারা শোকাহত।
