ঈদুল আজহা যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই ব্যস্ততা বাড়ছে গোপালগঞ্জ শহরের গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল কামারপল্লী এলাকা–সংলগ্ন কামারপল্লীতে।
সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জ্বলন্ত আগুনের তাপে লোহা পিটিয়ে তৈরি হচ্ছে দা, বটি, ছুরি ও চাপাতি। পুরো এলাকা এখন হাতুড়ির টুংটাং শব্দে মুখরিত, যা কুরবানির ঈদকে ঘিরে ঐতিহ্যবাহী এই পেশায় নতুন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে এনেছে।
সারা বছর কাজ কম থাকলেও কুরবানির সময় এ শিল্পে নিয়োজিত কামাররা দা, বটি ও ছুরির পাশাপাশি পুরোনো সরঞ্জামে শান দেওয়ার কাজেও ব্যস্ত থাকেন। শহর ও গ্রামের মানুষ এখনও হাতে তৈরি এই সরঞ্জামের ওপর নির্ভরশীল।
স্থানীয় বাজারদর অনুযায়ী, ছোট ছুরি ১৫০–২০০ টাকা, দা ২৫০–৩৫০ টাকা, বটি ৩৫০–৫০০ টাকা এবং বড় ছুরি ৮০০–১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
প্রবীণ কামার সত্য রঞ্জন দাশ বলেন, আধুনিক মেশিনের কারণে সারা বছর কাজ কম থাকলেও কুরবানির মৌসুমে কিছুটা হলেও আয় বাড়ে, যা দিয়ে তারা সংসার চালানোর চেষ্টা করেন।
ক্রেতারা জানান, দাম কিছুটা বেড়েছে, তবে হাতে তৈরি সরঞ্জামের গুণগত মান ভালো হওয়ায় এখনও এগুলোর চাহিদা বেশি।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
ঈদুল আজহা যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই ব্যস্ততা বাড়ছে গোপালগঞ্জ শহরের গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল কামারপল্লী এলাকা–সংলগ্ন কামারপল্লীতে।
সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জ্বলন্ত আগুনের তাপে লোহা পিটিয়ে তৈরি হচ্ছে দা, বটি, ছুরি ও চাপাতি। পুরো এলাকা এখন হাতুড়ির টুংটাং শব্দে মুখরিত, যা কুরবানির ঈদকে ঘিরে ঐতিহ্যবাহী এই পেশায় নতুন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে এনেছে।
সারা বছর কাজ কম থাকলেও কুরবানির সময় এ শিল্পে নিয়োজিত কামাররা দা, বটি ও ছুরির পাশাপাশি পুরোনো সরঞ্জামে শান দেওয়ার কাজেও ব্যস্ত থাকেন। শহর ও গ্রামের মানুষ এখনও হাতে তৈরি এই সরঞ্জামের ওপর নির্ভরশীল।
স্থানীয় বাজারদর অনুযায়ী, ছোট ছুরি ১৫০–২০০ টাকা, দা ২৫০–৩৫০ টাকা, বটি ৩৫০–৫০০ টাকা এবং বড় ছুরি ৮০০–১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
প্রবীণ কামার সত্য রঞ্জন দাশ বলেন, আধুনিক মেশিনের কারণে সারা বছর কাজ কম থাকলেও কুরবানির মৌসুমে কিছুটা হলেও আয় বাড়ে, যা দিয়ে তারা সংসার চালানোর চেষ্টা করেন।
ক্রেতারা জানান, দাম কিছুটা বেড়েছে, তবে হাতে তৈরি সরঞ্জামের গুণগত মান ভালো হওয়ায় এখনও এগুলোর চাহিদা বেশি।
