বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

২৭টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৩৯৫ রাউন্ড কার্তুজ জমা

সুন্দরবনে ‘ছোট জাহাঙ্গীর’ বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ দস্যুর আত্মসমর্পণ

সুন্দরবনে ‘ছোট জাহাঙ্গীর’ বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ দস্যুর আত্মসমর্পণ
ছবি : চেকপোস্ট

সুন্দরবনের কুখ্যাত দস্যু দল ‘ছোট জাহাঙ্গীর’ বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর শেখসহ ২৭ জন সক্রিয় সদস্য কোস্ট গার্ডের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেছেন। এ সময় তারা তাদের ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরে জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেসবাউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার সুন্দরবনসংলগ্ন চরপুটিয়া খাল এলাকায় কোস্ট গার্ডের একটি দলের কাছে তারা অস্ত্র সমর্পণ করেন।

কোস্ট গার্ড জানায়, আত্মসমর্পণের সময় দস্যুরা ৩টি বিদেশি বন্দুক, ১টি এইট শুটার গান, ১টি টি-ফোর শুটার গান, ৫টি দেশীয় একনলা বন্দুক, ১৫টি দেশীয় পাইপগান এবং ২টি চায়না পাইপগানসহ মোট ২৭টি আগ্নেয়াস্ত্র জমা দেয়। এছাড়া ৩৪০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ৫৫ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, অর্থাৎ মোট ৩৯৫ রাউন্ড কার্তুজ হস্তান্তর করা হয়।

আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে খুলনা, বাগেরহাট ও পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা রয়েছেন। তাদের মধ্যে বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর শেখও রয়েছেন।

কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেসবাউল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই বাহিনীর সদস্যরা সুন্দরবনের জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জব্দকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২১ জুন সাতজন এবং ৯ জুলাই তিনজন বনদস্যু অস্ত্রসহ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন।

Image

#কোস্টগার্ড #সুন্দরবন #আত্মসমর্পণ

চেকপোস্ট

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬


সুন্দরবনে ‘ছোট জাহাঙ্গীর’ বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ দস্যুর আত্মসমর্পণ

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

সুন্দরবনের কুখ্যাত দস্যু দল ‘ছোট জাহাঙ্গীর’ বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর শেখসহ ২৭ জন সক্রিয় সদস্য কোস্ট গার্ডের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেছেন। এ সময় তারা তাদের ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরে জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেসবাউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার সুন্দরবনসংলগ্ন চরপুটিয়া খাল এলাকায় কোস্ট গার্ডের একটি দলের কাছে তারা অস্ত্র সমর্পণ করেন।

কোস্ট গার্ড জানায়, আত্মসমর্পণের সময় দস্যুরা ৩টি বিদেশি বন্দুক, ১টি এইট শুটার গান, ১টি টি-ফোর শুটার গান, ৫টি দেশীয় একনলা বন্দুক, ১৫টি দেশীয় পাইপগান এবং ২টি চায়না পাইপগানসহ মোট ২৭টি আগ্নেয়াস্ত্র জমা দেয়। এছাড়া ৩৪০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ৫৫ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, অর্থাৎ মোট ৩৯৫ রাউন্ড কার্তুজ হস্তান্তর করা হয়।

আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে খুলনা, বাগেরহাট ও পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা রয়েছেন। তাদের মধ্যে বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর শেখও রয়েছেন।

কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেসবাউল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই বাহিনীর সদস্যরা সুন্দরবনের জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জব্দকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২১ জুন সাতজন এবং ৯ জুলাই তিনজন বনদস্যু অস্ত্রসহ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত