সুনামগঞ্জের তিন উপজেলায় বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৩ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সদর উপজেলায় ২ জন এবং জামালগঞ্জ উপজেলায় ১ জন রয়েছেন।
নিহতরা হলেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের আব্দুর কাদিরের ছেলে জমির উদ্দিন, একই উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের বৈটাখালি গ্রামের কায়িদ হোসেনের ছেলে জমির হোসেন এবং জামালগঞ্জ উপজেলার রুপাবালী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে আবু সালেক (২৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার আব্দুল্লাহপুর গ্রামের দেখার হাওরে ধান কাটতে গেলে বজ্রপাতে আহত হন জমির উদ্দিন। পরে তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
একই সময় বৈটাখালি গ্রামের জমির হোসেন বাড়ি থেকে বের হয়ে নদীঘাটে দোকান খোলার পথে বজ্রাঘাতে আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকেও মৃত ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে জামালগঞ্জ উপজেলার আবু সালেক গরু আনতে মাঠে গেলে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শফিকুর রহমান জানান, বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে শান্তিগঞ্জ উপজেলায় হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে আরও তিনজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
সুনামগঞ্জের তিন উপজেলায় বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৩ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সদর উপজেলায় ২ জন এবং জামালগঞ্জ উপজেলায় ১ জন রয়েছেন।
নিহতরা হলেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের আব্দুর কাদিরের ছেলে জমির উদ্দিন, একই উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের বৈটাখালি গ্রামের কায়িদ হোসেনের ছেলে জমির হোসেন এবং জামালগঞ্জ উপজেলার রুপাবালী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে আবু সালেক (২৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার আব্দুল্লাহপুর গ্রামের দেখার হাওরে ধান কাটতে গেলে বজ্রপাতে আহত হন জমির উদ্দিন। পরে তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
একই সময় বৈটাখালি গ্রামের জমির হোসেন বাড়ি থেকে বের হয়ে নদীঘাটে দোকান খোলার পথে বজ্রাঘাতে আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকেও মৃত ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে জামালগঞ্জ উপজেলার আবু সালেক গরু আনতে মাঠে গেলে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শফিকুর রহমান জানান, বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে শান্তিগঞ্জ উপজেলায় হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে আরও তিনজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
