হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা-এ সাবেক সংসদ সদস্য ও বর্তমানে কারাবন্দি ব্যারিস্টার সাইদুল হক সুমন-এর নামে বরাদ্দকৃত প্রায় ৫০ লাখ টাকার উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এমপি কোটায় বরাদ্দ হওয়া এই অর্থের হিসাব তিনি সম্প্রতি জেল থেকেই তার ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ হাইকোর্ট-এ রিট দায়েরের উদ্যোগ নিতেও অনুরোধ জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। পাশাপাশি বর্তমান সংসদ সদস্যকেও বিষয়টি খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালে আনিসুর রহমান রতন নামের এক স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক এ বিষয়ে তদন্তের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে বলা হয়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর-এর মাধ্যমে চা শ্রমিকদের জন্য বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ ও অবকাঠামো উন্নয়নের নামে বরাদ্দকৃত অর্থ যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়াই উত্তোলন করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র গায়েব করা হয়েছে এবং বরাদ্দের অর্থ নিয়ম অনুযায়ী ফেরত দেওয়া হয়নি।
অন্যদিকে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর হবিগঞ্জ উপ-পরিচালক এরশাদ আলী জানান, বিষয়টি গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ হিসেবে তাদের জানা রয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা-এ সাবেক সংসদ সদস্য ও বর্তমানে কারাবন্দি ব্যারিস্টার সাইদুল হক সুমন-এর নামে বরাদ্দকৃত প্রায় ৫০ লাখ টাকার উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এমপি কোটায় বরাদ্দ হওয়া এই অর্থের হিসাব তিনি সম্প্রতি জেল থেকেই তার ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ হাইকোর্ট-এ রিট দায়েরের উদ্যোগ নিতেও অনুরোধ জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। পাশাপাশি বর্তমান সংসদ সদস্যকেও বিষয়টি খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালে আনিসুর রহমান রতন নামের এক স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক এ বিষয়ে তদন্তের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে বলা হয়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর-এর মাধ্যমে চা শ্রমিকদের জন্য বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ ও অবকাঠামো উন্নয়নের নামে বরাদ্দকৃত অর্থ যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়াই উত্তোলন করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র গায়েব করা হয়েছে এবং বরাদ্দের অর্থ নিয়ম অনুযায়ী ফেরত দেওয়া হয়নি।
অন্যদিকে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর হবিগঞ্জ উপ-পরিচালক এরশাদ আলী জানান, বিষয়টি গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ হিসেবে তাদের জানা রয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
