সিলেটের শাহপরাণ (রহ.) থানা এলাকায় বসতঘর থেকে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার, রৌপ্য অলংকার ও নগদ অর্থ চুরির ঘটনায় আল আমিন (৩৩) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) রাত আনুমানিক ১০টা ১০ মিনিটে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ থানাধীন পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের ডাবর পয়েন্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এসআরবি-৯-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যেভাবে ঘটে ৩৫ লাখ টাকার চুরি
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, সিলেটের শাহপরাণ (রহ.) থানাধীন দাসপাড়া এলাকার বাসিন্দা উম্মাহ পরভীন (কলি) গত ১৩ আগস্ট ২০২৬ বিদেশে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন।
পরদিন ১৪ আগস্ট রাত আনুমানিক ৯টা থেকে ১১টার মধ্যে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা তাঁর বসতঘরের টিনের চাল খুলে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে আলমারি ও শোকেসের ড্রয়ার ভেঙে স্বর্ণালংকার, রৌপ্য অলংকার ও নগদ অর্থ চুরি করে নিয়ে যায়।
চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ৩৫ লাখ টাকা বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযান
ঘটনার পর বসতঘরে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে চুরির ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় শাহপরাণ থানায় মামলা দায়েরের পর এসআরবি-৯ গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে অভিযান চালিয়ে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তি থানায় হস্তান্তর
গ্রেপ্তার আল আমিনের পিতার নাম মো. আব্দুল আলিম (হিলিম মিয়া)। তাঁর ঠিকানা সিলেটের শাহপরাণ (রহ.) থানাধীন বালুটিকর খাদিমপাড়া এলাকায়।
এসআরবি-৯-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
সিলেটের শাহপরাণ (রহ.) থানা এলাকায় বসতঘর থেকে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার, রৌপ্য অলংকার ও নগদ অর্থ চুরির ঘটনায় আল আমিন (৩৩) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) রাত আনুমানিক ১০টা ১০ মিনিটে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ থানাধীন পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের ডাবর পয়েন্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এসআরবি-৯-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যেভাবে ঘটে ৩৫ লাখ টাকার চুরি
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, সিলেটের শাহপরাণ (রহ.) থানাধীন দাসপাড়া এলাকার বাসিন্দা উম্মাহ পরভীন (কলি) গত ১৩ আগস্ট ২০২৬ বিদেশে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন।
পরদিন ১৪ আগস্ট রাত আনুমানিক ৯টা থেকে ১১টার মধ্যে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা তাঁর বসতঘরের টিনের চাল খুলে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে আলমারি ও শোকেসের ড্রয়ার ভেঙে স্বর্ণালংকার, রৌপ্য অলংকার ও নগদ অর্থ চুরি করে নিয়ে যায়।
চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ৩৫ লাখ টাকা বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযান
ঘটনার পর বসতঘরে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে চুরির ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় শাহপরাণ থানায় মামলা দায়েরের পর এসআরবি-৯ গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে অভিযান চালিয়ে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তি থানায় হস্তান্তর
গ্রেপ্তার আল আমিনের পিতার নাম মো. আব্দুল আলিম (হিলিম মিয়া)। তাঁর ঠিকানা সিলেটের শাহপরাণ (রহ.) থানাধীন বালুটিকর খাদিমপাড়া এলাকায়।
এসআরবি-৯-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
