সাতক্ষীরা দিবা নৈশ ডিগ্রি কলেজের সামনে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, যানজট নিরসন এবং সড়ক প্রশস্তকরণের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১০টায় কলেজসংলগ্ন সড়কে ‘স্থানীয় এলাকাবাসী’ ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, কলেজের প্রধান ফটকের সামনে অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনার কারণে প্রতিদিন তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। সংকীর্ণ সড়ক দখল হয়ে থাকায় শিক্ষার্থী, পথচারী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ বাড়ছে। পাশাপাশি ছোট-বড় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তাদের অভিযোগ, বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরে আনা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিদিনই সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
আন্দোলনকারীরা আরও জানান, কলেজ শুরু ও ছুটির সময় পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। অবৈধ পার্কিং ও ফুটপাত দখলের কারণে জরুরি সেবার যানবাহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে। এতে শিক্ষার্থীদের সময়মতো ক্লাসে পৌঁছানো এবং নারী ও শিশুদের নিরাপদ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
মানববন্ধন থেকে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয়-কলেজের সামনের সব অবৈধ স্থায়ী ও অস্থায়ী স্থাপনা দ্রুত উচ্ছেদ, ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপ বিবেচনায় সড়ক প্রশস্তকরণ এবং উচ্ছেদের পর পুনরায় যাতে দখল না হয়, সে জন্য নিয়মিত প্রশাসনিক নজরদারি নিশ্চিত করা।
কর্মসূচি শেষে এলাকাবাসীর একটি প্রতিনিধি দল জেলা প্রশাসক ও পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণের হুঁশিয়ারিও দেন তারা।

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
সাতক্ষীরা দিবা নৈশ ডিগ্রি কলেজের সামনে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, যানজট নিরসন এবং সড়ক প্রশস্তকরণের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১০টায় কলেজসংলগ্ন সড়কে ‘স্থানীয় এলাকাবাসী’ ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, কলেজের প্রধান ফটকের সামনে অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনার কারণে প্রতিদিন তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। সংকীর্ণ সড়ক দখল হয়ে থাকায় শিক্ষার্থী, পথচারী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ বাড়ছে। পাশাপাশি ছোট-বড় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তাদের অভিযোগ, বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরে আনা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিদিনই সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
আন্দোলনকারীরা আরও জানান, কলেজ শুরু ও ছুটির সময় পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। অবৈধ পার্কিং ও ফুটপাত দখলের কারণে জরুরি সেবার যানবাহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে। এতে শিক্ষার্থীদের সময়মতো ক্লাসে পৌঁছানো এবং নারী ও শিশুদের নিরাপদ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
মানববন্ধন থেকে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয়-কলেজের সামনের সব অবৈধ স্থায়ী ও অস্থায়ী স্থাপনা দ্রুত উচ্ছেদ, ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপ বিবেচনায় সড়ক প্রশস্তকরণ এবং উচ্ছেদের পর পুনরায় যাতে দখল না হয়, সে জন্য নিয়মিত প্রশাসনিক নজরদারি নিশ্চিত করা।
কর্মসূচি শেষে এলাকাবাসীর একটি প্রতিনিধি দল জেলা প্রশাসক ও পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণের হুঁশিয়ারিও দেন তারা।
