বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগে অনীহা? প্রশ্নের মুখে মাধবপুরের ইউএনও

সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগে অনীহা? প্রশ্নের মুখে মাধবপুরের ইউএনও
ছবি: চেকপোস্ট

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের ফোন রিসিভ না করার অভিযোগ উঠেছে। এতে তথ্য সংগ্রহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মধ্যে সমন্বয়েও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক।

সাংবাদিকদের দাবি, ইউএনও মেহেদী হাসান অনেক সময় ফোন রিসিভ করেন না। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ বা খুদে বার্তারও কোনো জবাব পাওয়া যায় না। গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বিষয়েও একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া না পাওয়ায় তারা হতাশা প্রকাশ করেছেন।

সাংবাদিকদের অভিযোগ, গত মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের একটি বিদ্যালয়সংক্রান্ত তথ্য এবং ধর্মঘর ইউনিয়নের শিয়ালউড়ি এলাকায় সরকারি ভাতার প্রস্তাব নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার ইউএনওর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি এবং পাঠানো বার্তারও কোনো উত্তর দেননি।

কয়েকজন সাংবাদিকের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের বাইরে থাকা বা ভিন্ন মতের সাংবাদিকদের সঙ্গে ইউএনও যোগাযোগ এড়িয়ে চলেন। এমনকি উপজেলার বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মসূচিতেও তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয় না বলেও অভিযোগ রয়েছে।

হবিগঞ্জের সাংবাদিক বেলাল হোসেন বলেন, “ফোন রিসিভ না করার কোনো অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়। প্রশাসন ও সাংবাদিকরা সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করলে জনস্বার্থের অনেক সমস্যা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব।”

মাধবপুর মডেল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সাদাত মামুন বলেন, “একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবশ্যই নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল হতে হবে। সাংবাদিকদের ফোন না ধরা কিংবা দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ থাকলে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাংবাদিক বলেন, “জেলা প্রশাসক কিংবা বিভাগীয় কমিশনাররাও সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। সেখানে একজন ইউএনওর ধারাবাহিকভাবে ফোন রিসিভ না করা জনস্বার্থে তথ্যপ্রবাহের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে।”

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইউএনও মেহেদী হাসানকে একাধিকবার ফোন করা হয় এবং হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হয়। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি কোনো সাড়া দেননি।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ বলেন, “একজন ইউএনও উপজেলা তথ্য প্রদান কমিটির সভাপতি হিসেবে নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল থাকবেন। সাংবাদিকদের ফোন রিসিভ না করার বিষয়টি সত্য হলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

চেকপোস্ট

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬


সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগে অনীহা? প্রশ্নের মুখে মাধবপুরের ইউএনও

প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের ফোন রিসিভ না করার অভিযোগ উঠেছে। এতে তথ্য সংগ্রহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মধ্যে সমন্বয়েও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক।

সাংবাদিকদের দাবি, ইউএনও মেহেদী হাসান অনেক সময় ফোন রিসিভ করেন না। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ বা খুদে বার্তারও কোনো জবাব পাওয়া যায় না। গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বিষয়েও একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া না পাওয়ায় তারা হতাশা প্রকাশ করেছেন।

সাংবাদিকদের অভিযোগ, গত মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের একটি বিদ্যালয়সংক্রান্ত তথ্য এবং ধর্মঘর ইউনিয়নের শিয়ালউড়ি এলাকায় সরকারি ভাতার প্রস্তাব নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার ইউএনওর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি এবং পাঠানো বার্তারও কোনো উত্তর দেননি।

কয়েকজন সাংবাদিকের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের বাইরে থাকা বা ভিন্ন মতের সাংবাদিকদের সঙ্গে ইউএনও যোগাযোগ এড়িয়ে চলেন। এমনকি উপজেলার বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মসূচিতেও তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয় না বলেও অভিযোগ রয়েছে।

হবিগঞ্জের সাংবাদিক বেলাল হোসেন বলেন, “ফোন রিসিভ না করার কোনো অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়। প্রশাসন ও সাংবাদিকরা সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করলে জনস্বার্থের অনেক সমস্যা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব।”

মাধবপুর মডেল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সাদাত মামুন বলেন, “একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবশ্যই নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল হতে হবে। সাংবাদিকদের ফোন না ধরা কিংবা দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ থাকলে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাংবাদিক বলেন, “জেলা প্রশাসক কিংবা বিভাগীয় কমিশনাররাও সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। সেখানে একজন ইউএনওর ধারাবাহিকভাবে ফোন রিসিভ না করা জনস্বার্থে তথ্যপ্রবাহের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে।”

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইউএনও মেহেদী হাসানকে একাধিকবার ফোন করা হয় এবং হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হয়। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি কোনো সাড়া দেননি।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ বলেন, “একজন ইউএনও উপজেলা তথ্য প্রদান কমিটির সভাপতি হিসেবে নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল থাকবেন। সাংবাদিকদের ফোন রিসিভ না করার বিষয়টি সত্য হলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত