আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ইরান। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাইদ ইরাভানি জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান জাতিসংঘের সমুদ্র আইন মানতে বাধ্য নয়।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তিনি এই মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই।
তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি চরম অস্থিতিশীল। এ অবস্থায় উপকূলীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ নৌ চলাচল বজায় রাখার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি হয়ে পড়েছে। তার দাবি, ইরান যে নৌ কার্যক্রম পরিচালনা করছে তা মূলত দেশের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য।
ইরানি প্রতিনিধি আরও অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দ্বিমুখী আচরণ করছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ অবরোধ নিয়ে অনেক দেশ নীরব ভূমিকা পালন করছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি অবজ্ঞার শামিল।
তিনি বলেন, সমুদ্র নিরাপত্তা ও নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে যে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে, তা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং কিছু দেশ নিজেদের স্বার্থ অনুযায়ী এই ইস্যু ব্যবহার করছে।
এই বক্তব্যের মাধ্যমে আবারও আন্তর্জাতিক জলসীমা ও নৌ নিরাপত্তা ইস্যুতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ইরান। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাইদ ইরাভানি জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান জাতিসংঘের সমুদ্র আইন মানতে বাধ্য নয়।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তিনি এই মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই।
তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি চরম অস্থিতিশীল। এ অবস্থায় উপকূলীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ নৌ চলাচল বজায় রাখার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি হয়ে পড়েছে। তার দাবি, ইরান যে নৌ কার্যক্রম পরিচালনা করছে তা মূলত দেশের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য।
ইরানি প্রতিনিধি আরও অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দ্বিমুখী আচরণ করছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ অবরোধ নিয়ে অনেক দেশ নীরব ভূমিকা পালন করছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি অবজ্ঞার শামিল।
তিনি বলেন, সমুদ্র নিরাপত্তা ও নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে যে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে, তা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং কিছু দেশ নিজেদের স্বার্থ অনুযায়ী এই ইস্যু ব্যবহার করছে।
এই বক্তব্যের মাধ্যমে আবারও আন্তর্জাতিক জলসীমা ও নৌ নিরাপত্তা ইস্যুতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
