সন্তানের জন্য টুথপেস্ট কেনার সময় শুধু স্বাদ বা ব্র্যান্ড নয়, আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি। সম্প্রতি শিশুদের জন্য বাজারজাত কিছু টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি নিয়ে গবেষণার পর অভিভাবকদের মধ্যে নতুন করে সচেতনতা তৈরি হয়েছে।
একটি গবেষণায় পরীক্ষিত ছয় ধরনের শিশুদের টুথপেস্টের মধ্যে চারটিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই তথ্য সব টুথপেস্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, তবে পণ্য বাছাইয়ের সময় সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুর দাঁতের যত্নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বয়স অনুযায়ী সঠিক ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার এবং নির্ধারিত পরিমাণে তা প্রয়োগ করা।
অনেকে মনে করেন সব দাঁত ওঠার পর ব্রাশ শুরু করা উচিত। তবে শিশুদের প্রথম দুধ দাঁত ওঠার পর থেকেই নরম ব্রাশ ও অল্প পরিমাণ টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করার অভ্যাস গড়ে তোলা ভালো।
৬ মাস থেকে ৩ বছর:
কম ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা উচিত। পরিমাণ হবে চালের দানার মতো।
৩ থেকে ৬ বছর:
প্রায় ৫০০ পিপিএম ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। পরিমাণ হবে একটি মটরদানার সমান।
৬ বছর বা তার বেশি:
শিশু থুতু ফেলে দিতে পারলে ১০০০ থেকে ১৫০০ পিপিএম ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা যায়।
ফ্লোরাইড দাঁতের এনামেল শক্ত করতে সাহায্য করে এবং মুখের ব্যাকটেরিয়ার কারণে তৈরি অ্যাসিডের ক্ষতিকর প্রভাব কমায়। নিয়মিত সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এটি দাঁতের ক্ষয় বা ক্যাভিটি প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
অনেক অভিভাবক ব্রাশে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি টুথপেস্ট লাগিয়ে দেন। অতিরিক্ত টুথপেস্ট গিলে ফেললে দীর্ঘমেয়াদে দাঁতের এনামেলে দাগ পড়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
শিশুর দাঁতের যত্ন শুরু হওয়া উচিত প্রথম দাঁত ওঠার পর থেকেই। সঠিক টুথপেস্ট, নিয়মিত ব্রাশ এবং বয়স অনুযায়ী যত্ন নিলে দাঁতের ক্ষয় অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
সন্তানের জন্য টুথপেস্ট কেনার সময় শুধু স্বাদ বা ব্র্যান্ড নয়, আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি। সম্প্রতি শিশুদের জন্য বাজারজাত কিছু টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি নিয়ে গবেষণার পর অভিভাবকদের মধ্যে নতুন করে সচেতনতা তৈরি হয়েছে।
একটি গবেষণায় পরীক্ষিত ছয় ধরনের শিশুদের টুথপেস্টের মধ্যে চারটিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই তথ্য সব টুথপেস্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, তবে পণ্য বাছাইয়ের সময় সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুর দাঁতের যত্নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বয়স অনুযায়ী সঠিক ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার এবং নির্ধারিত পরিমাণে তা প্রয়োগ করা।
অনেকে মনে করেন সব দাঁত ওঠার পর ব্রাশ শুরু করা উচিত। তবে শিশুদের প্রথম দুধ দাঁত ওঠার পর থেকেই নরম ব্রাশ ও অল্প পরিমাণ টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করার অভ্যাস গড়ে তোলা ভালো।
৬ মাস থেকে ৩ বছর:
কম ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা উচিত। পরিমাণ হবে চালের দানার মতো।
৩ থেকে ৬ বছর:
প্রায় ৫০০ পিপিএম ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। পরিমাণ হবে একটি মটরদানার সমান।
৬ বছর বা তার বেশি:
শিশু থুতু ফেলে দিতে পারলে ১০০০ থেকে ১৫০০ পিপিএম ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা যায়।
ফ্লোরাইড দাঁতের এনামেল শক্ত করতে সাহায্য করে এবং মুখের ব্যাকটেরিয়ার কারণে তৈরি অ্যাসিডের ক্ষতিকর প্রভাব কমায়। নিয়মিত সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এটি দাঁতের ক্ষয় বা ক্যাভিটি প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
অনেক অভিভাবক ব্রাশে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি টুথপেস্ট লাগিয়ে দেন। অতিরিক্ত টুথপেস্ট গিলে ফেললে দীর্ঘমেয়াদে দাঁতের এনামেলে দাগ পড়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
শিশুর দাঁতের যত্ন শুরু হওয়া উচিত প্রথম দাঁত ওঠার পর থেকেই। সঠিক টুথপেস্ট, নিয়মিত ব্রাশ এবং বয়স অনুযায়ী যত্ন নিলে দাঁতের ক্ষয় অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব।
