রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার আলমবিদিতর এলাকায় মালিকানাভুক্ত জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় নারীসহ দুইজন আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে গঙ্গাচড়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইউনুছ আলী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কুশ্যারঘাট চওড়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইউনুছ আলী দীর্ঘদিন ধরে পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত জমিতে বসবাস করে আসছেন। সম্প্রতি তিনি বসতবাড়ির চারপাশে পাকা সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ৯ জুন দুপুরে ইউনুছ আলী বাড়ির বাইরে থাকাকালে নির্মাণ শ্রমিকরা প্রাচীর নির্মাণের কাজ করছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন সেখানে গিয়ে জমির একটি অংশকে চলাচলের রাস্তা দাবি করে নির্মাণকাজে বাধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে ইউনুছ আলীর স্ত্রী ফাতেমা বেগমের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে নাজমিন বেগম নামের আরেক নারীও আহত হন। আহত ফাতেমা বেগমকে গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগকারী ইউনুছ আলীর দাবি, তাদের পৈতৃক জমির ওপর কোনো সরকারি রাস্তা নেই। দীর্ঘদিন মানবিক কারণে প্রতিবেশীরা ওই জমি ব্যবহার করলেও পরবর্তীতে সেটিকে স্থায়ী রাস্তা হিসেবে দাবি করে প্রতিপক্ষ। বিষয়টি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পর্যন্ত গড়ালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে উভয় পক্ষের সুবিধার্থে একটি চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে নির্ধারিত অংশের বাইরে প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করলে পুনরায় বিরোধের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেন, জমির মালিকপক্ষকে হেনস্তা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় মো. লেবু মিয়া, আব্দুল মজিদ কেচুসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে প্রাণনাশের হুমকির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর ছবুর বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হামিদুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে কোনো সরকারি রাস্তা নেই। মানবিক দিক বিবেচনায় উভয় পক্ষের সমন্বয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধের বিষয়টি জানতে পেরেছি।
তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার আলমবিদিতর এলাকায় মালিকানাভুক্ত জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় নারীসহ দুইজন আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে গঙ্গাচড়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইউনুছ আলী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কুশ্যারঘাট চওড়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইউনুছ আলী দীর্ঘদিন ধরে পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত জমিতে বসবাস করে আসছেন। সম্প্রতি তিনি বসতবাড়ির চারপাশে পাকা সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ৯ জুন দুপুরে ইউনুছ আলী বাড়ির বাইরে থাকাকালে নির্মাণ শ্রমিকরা প্রাচীর নির্মাণের কাজ করছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন সেখানে গিয়ে জমির একটি অংশকে চলাচলের রাস্তা দাবি করে নির্মাণকাজে বাধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে ইউনুছ আলীর স্ত্রী ফাতেমা বেগমের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে নাজমিন বেগম নামের আরেক নারীও আহত হন। আহত ফাতেমা বেগমকে গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগকারী ইউনুছ আলীর দাবি, তাদের পৈতৃক জমির ওপর কোনো সরকারি রাস্তা নেই। দীর্ঘদিন মানবিক কারণে প্রতিবেশীরা ওই জমি ব্যবহার করলেও পরবর্তীতে সেটিকে স্থায়ী রাস্তা হিসেবে দাবি করে প্রতিপক্ষ। বিষয়টি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পর্যন্ত গড়ালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে উভয় পক্ষের সুবিধার্থে একটি চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে নির্ধারিত অংশের বাইরে প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করলে পুনরায় বিরোধের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেন, জমির মালিকপক্ষকে হেনস্তা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় মো. লেবু মিয়া, আব্দুল মজিদ কেচুসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে প্রাণনাশের হুমকির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর ছবুর বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হামিদুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে কোনো সরকারি রাস্তা নেই। মানবিক দিক বিবেচনায় উভয় পক্ষের সমন্বয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধের বিষয়টি জানতে পেরেছি।
তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
