গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের তাড়াইল গ্রামে শাশুড়ির নির্যাতনের শিকার হয়ে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন সুমি বেগম (২৮) নামে এক গৃহবধূ। দেড় বছরের শিশুকে মারধরের প্রতিবাদ করায় তাকে চেয়ার দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১১ বছর আগে পাটগাতী ইউনিয়নের গওহরডাঙ্গা গ্রামের জামির শেখের মেয়ে সুমি বেগমের সঙ্গে তাড়াইল গ্রামের সিরাজ ফকিরের ছেলে সোহাগ ফকিরের বিয়ে হয়। বিয়ের পর কিছুদিন ভালো থাকলেও পরে যৌতুকের দাবিসহ বিভিন্ন কারণে তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, শাশুড়ি রিনা বেগমের চাপের মুখে এক পর্যায়ে বাবার বাড়ি থেকে ১ লাখ টাকা এনে স্বামীর হাতে তুলে দেন সুমি। এরপরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। স্বামী ঢাকায় চাকরি করলেও অভিযোগের বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি বলে দাবি পরিবারের।
সর্বশেষ শনিবার সকালে সুমির দেড় বছরের মেয়ে ছাবিহা বিছানায় প্রস্রাব করলে তাকে মারধর করেন শাশুড়ি। এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানালে সুমি বেগমকে চেয়ার দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পরে সন্তানদের নিয়ে পাশের বাড়িতে আশ্রয় নেন তিনি। খবর পেয়ে বাবার বাড়ির লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান।
সুমির সন্তানদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের মা ও ভাইবোনদের প্রায়ই মারধর করা হতো। স্থানীয় কয়েকজন প্রতিবেশীও দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ ও নির্যাতনের ঘটনা দেখে আসছেন বলে জানান।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শাশুড়ি রিনা বেগম। তিনি দাবি করেন, নাতনিকে দুষ্টুমি করে কয়েকটি চড় দেওয়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিক ঝগড়ার সৃষ্টি হয় এবং উল্টো তিনিও আঘাতের শিকার হয়েছেন।
ডুমুরিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজাম শেখ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আইয়ুব আলী বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের তাড়াইল গ্রামে শাশুড়ির নির্যাতনের শিকার হয়ে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন সুমি বেগম (২৮) নামে এক গৃহবধূ। দেড় বছরের শিশুকে মারধরের প্রতিবাদ করায় তাকে চেয়ার দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১১ বছর আগে পাটগাতী ইউনিয়নের গওহরডাঙ্গা গ্রামের জামির শেখের মেয়ে সুমি বেগমের সঙ্গে তাড়াইল গ্রামের সিরাজ ফকিরের ছেলে সোহাগ ফকিরের বিয়ে হয়। বিয়ের পর কিছুদিন ভালো থাকলেও পরে যৌতুকের দাবিসহ বিভিন্ন কারণে তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, শাশুড়ি রিনা বেগমের চাপের মুখে এক পর্যায়ে বাবার বাড়ি থেকে ১ লাখ টাকা এনে স্বামীর হাতে তুলে দেন সুমি। এরপরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। স্বামী ঢাকায় চাকরি করলেও অভিযোগের বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি বলে দাবি পরিবারের।
সর্বশেষ শনিবার সকালে সুমির দেড় বছরের মেয়ে ছাবিহা বিছানায় প্রস্রাব করলে তাকে মারধর করেন শাশুড়ি। এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানালে সুমি বেগমকে চেয়ার দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পরে সন্তানদের নিয়ে পাশের বাড়িতে আশ্রয় নেন তিনি। খবর পেয়ে বাবার বাড়ির লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান।
সুমির সন্তানদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের মা ও ভাইবোনদের প্রায়ই মারধর করা হতো। স্থানীয় কয়েকজন প্রতিবেশীও দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ ও নির্যাতনের ঘটনা দেখে আসছেন বলে জানান।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শাশুড়ি রিনা বেগম। তিনি দাবি করেন, নাতনিকে দুষ্টুমি করে কয়েকটি চড় দেওয়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিক ঝগড়ার সৃষ্টি হয় এবং উল্টো তিনিও আঘাতের শিকার হয়েছেন।
ডুমুরিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজাম শেখ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আইয়ুব আলী বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
