পুলিশ জানায়, গত ৩ জুলাই দিবাগত রাত অর্থাৎ ৪ জুলাই রাত প্রায় ৩টার দিকে শায়েস্তাগঞ্জ থানার একটি আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় চুনারুঘাট থানার সহযোগিতায় চুনারুঘাট উপজেলার ২ নম্বর আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের রানিরকুট এলাকার সবুজ মিয়ার বসতঘর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া আসামি হলেন ফারুক মিয়া (৫০)। তিনি শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ১১ নম্বর ব্রাহ্মণডোরা ইউনিয়নের ব্রাহ্মণডোরা গ্রামের মৃত শহিদ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফারুক মিয়া শায়েস্তাগঞ্জ থানার মামলা নম্বর-১১, তারিখ ২৯ জুন ২০২৬-এর এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি। মামলাটি পেনাল কোডের ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩০৭/৩০২/১১৪ ধারায় দায়ের করা হয়েছে।
শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম সম্পন্ন করে ফারুক মিয়াকে কঠোর পুলিশ পাহারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
পুলিশ জানায়, গত ৩ জুলাই দিবাগত রাত অর্থাৎ ৪ জুলাই রাত প্রায় ৩টার দিকে শায়েস্তাগঞ্জ থানার একটি আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় চুনারুঘাট থানার সহযোগিতায় চুনারুঘাট উপজেলার ২ নম্বর আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের রানিরকুট এলাকার সবুজ মিয়ার বসতঘর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া আসামি হলেন ফারুক মিয়া (৫০)। তিনি শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ১১ নম্বর ব্রাহ্মণডোরা ইউনিয়নের ব্রাহ্মণডোরা গ্রামের মৃত শহিদ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফারুক মিয়া শায়েস্তাগঞ্জ থানার মামলা নম্বর-১১, তারিখ ২৯ জুন ২০২৬-এর এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি। মামলাটি পেনাল কোডের ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩০৭/৩০২/১১৪ ধারায় দায়ের করা হয়েছে।
শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম সম্পন্ন করে ফারুক মিয়াকে কঠোর পুলিশ পাহারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।
