রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

নিখোঁজের পর উদ্ধার হয় লিমন ও বৃষ্টির মরদেহ

লিমন–বৃষ্টি হত্যায় ভয়াবহ তথ্য, রুমমেট গ্রেপ্তার: তদন্তে বড় অগ্রগতি

লিমন–বৃষ্টি হত্যায় ভয়াবহ তথ্য, রুমমেট গ্রেপ্তার: তদন্তে বড় অগ্রগতি
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল লিমন ও নাহিদা বৃষ্টির নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বড় ধরনের অগ্রগতি এসেছে। ঘটনায় অভিযুক্ত রুমমেট হিশাম সালেহ আবুঘারবেইহকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড সেতু এলাকা থেকে নিখোঁজ শিক্ষার্থী জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টা পরই আরেক শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বৃষ্টির ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত।

গত ১৬ এপ্রিল ক্যাম্পাস থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই দুই শিক্ষার্থীকে খুঁজছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত সংস্থা Federal Bureau of Investigation (এফবিআই) এবং স্থানীয় পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে ঘটনাটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা দেয়।

হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ জানিয়েছেন, ফ্লোরিডার ট্যাম্পা বে এলাকায় হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড সেতুর ওপর থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি জামিল লিমনের। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর কিছুক্ষণ পরই তদন্তে বড় অগ্রগতি আসে। লিমনের রুমমেট হিশামকে পুলিশ হেফাজতে নেয়। অভিযানে অংশ নেয় বিশেষ সোয়াট টিম। পরে তিনি আত্মসমর্পণ করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে মরদেহ গোপন করা, প্রমাণ নষ্ট করা এবং সহিংসতার মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

লিমন ও বৃষ্টি দুজনই বাংলাদেশ থেকে আসা পিএইচডি শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

লিমনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বৃষ্টির মৃত্যুর বিষয়টিও নিশ্চিত করেন তার ভাই। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয় বলে জানা গেছে।

এদিকে তদন্তে সহযোগিতা করলেও বর্তমানে হিশাম কোনো তথ্য দিচ্ছেন না বলে জানিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্ত ও ময়নাতদন্তের কাজ এখনো চলমান রয়েছে।

#আন্তর্জাতিকনিউজ #ফ্লোরিডাহত্যাকাণ্ড #বাংলাদেশিশিক্ষার্থী

চেকপোস্ট

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬


লিমন–বৃষ্টি হত্যায় ভয়াবহ তথ্য, রুমমেট গ্রেপ্তার: তদন্তে বড় অগ্রগতি

প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল লিমন ও নাহিদা বৃষ্টির নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বড় ধরনের অগ্রগতি এসেছে। ঘটনায় অভিযুক্ত রুমমেট হিশাম সালেহ আবুঘারবেইহকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড সেতু এলাকা থেকে নিখোঁজ শিক্ষার্থী জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টা পরই আরেক শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বৃষ্টির ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত।

গত ১৬ এপ্রিল ক্যাম্পাস থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই দুই শিক্ষার্থীকে খুঁজছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত সংস্থা Federal Bureau of Investigation (এফবিআই) এবং স্থানীয় পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে ঘটনাটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা দেয়।

হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ জানিয়েছেন, ফ্লোরিডার ট্যাম্পা বে এলাকায় হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড সেতুর ওপর থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি জামিল লিমনের। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর কিছুক্ষণ পরই তদন্তে বড় অগ্রগতি আসে। লিমনের রুমমেট হিশামকে পুলিশ হেফাজতে নেয়। অভিযানে অংশ নেয় বিশেষ সোয়াট টিম। পরে তিনি আত্মসমর্পণ করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে মরদেহ গোপন করা, প্রমাণ নষ্ট করা এবং সহিংসতার মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

লিমন ও বৃষ্টি দুজনই বাংলাদেশ থেকে আসা পিএইচডি শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

লিমনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বৃষ্টির মৃত্যুর বিষয়টিও নিশ্চিত করেন তার ভাই। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয় বলে জানা গেছে।

এদিকে তদন্তে সহযোগিতা করলেও বর্তমানে হিশাম কোনো তথ্য দিচ্ছেন না বলে জানিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্ত ও ময়নাতদন্তের কাজ এখনো চলমান রয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত