ইরান যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী প্রত্যাহারের লক্ষ্যে উত্থাপিত একটি প্রস্তাব দেশটির সিনেটে নাকচ হয়ে গেছে। প্রস্তাবটি ডেমোক্র্যাটদের পক্ষ থেকে আনা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সিনেটে অনুষ্ঠিত ভোটে প্রস্তাবটি ৪৭-৫০ ভোটে পরাজিত হয়।
প্রস্তাবের বিপক্ষে অবস্থান নেয় অধিকাংশ রিপাবলিকান সিনেটর। তাদের মতে, প্রস্তাবটি পাস হলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর ক্ষমতার ওপর বড় ধরনের বাধা তৈরি হতো।
তবে রিপাবলিকানদের মধ্যে দুইজন সিনেটর—সুসানা কলিন্স এবং কেন্টাকির সিনেটর র্যান্ড পল—নিজ দলের অবস্থানের বিপক্ষে গিয়ে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন। তারা মনে করেন, যুদ্ধ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে কংগ্রেসের ভূমিকা থাকা উচিত।
অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে জন ফেটারম্যান প্রস্তাবটির বিপক্ষে ভোট দেন।
১৯৭৩ সালের War Powers Resolution অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হয় বা সামরিক অভিযান বন্ধ করতে হয়। আইন অনুযায়ী, কংগ্রেস অনুমোদন না দিলে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযান চালানোর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
ট্রাম্প প্রশাসন ২ মার্চ কংগ্রেসকে ইরান সংক্রান্ত সামরিক অভিযানের বিষয়ে অবহিত করে। সেই সময় থেকেই নির্ধারিত সময় গণনা শুরু হয়, যা শুক্রবার (১ মে) শেষ হওয়ার কথা।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়সীমার মধ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন না থাকলে ইরানে অভিযান চালিয়ে গেলে তা ফেডারেল আইন লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
ইরান যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী প্রত্যাহারের লক্ষ্যে উত্থাপিত একটি প্রস্তাব দেশটির সিনেটে নাকচ হয়ে গেছে। প্রস্তাবটি ডেমোক্র্যাটদের পক্ষ থেকে আনা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সিনেটে অনুষ্ঠিত ভোটে প্রস্তাবটি ৪৭-৫০ ভোটে পরাজিত হয়।
প্রস্তাবের বিপক্ষে অবস্থান নেয় অধিকাংশ রিপাবলিকান সিনেটর। তাদের মতে, প্রস্তাবটি পাস হলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর ক্ষমতার ওপর বড় ধরনের বাধা তৈরি হতো।
তবে রিপাবলিকানদের মধ্যে দুইজন সিনেটর—সুসানা কলিন্স এবং কেন্টাকির সিনেটর র্যান্ড পল—নিজ দলের অবস্থানের বিপক্ষে গিয়ে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন। তারা মনে করেন, যুদ্ধ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে কংগ্রেসের ভূমিকা থাকা উচিত।
অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে জন ফেটারম্যান প্রস্তাবটির বিপক্ষে ভোট দেন।
১৯৭৩ সালের War Powers Resolution অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হয় বা সামরিক অভিযান বন্ধ করতে হয়। আইন অনুযায়ী, কংগ্রেস অনুমোদন না দিলে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযান চালানোর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
ট্রাম্প প্রশাসন ২ মার্চ কংগ্রেসকে ইরান সংক্রান্ত সামরিক অভিযানের বিষয়ে অবহিত করে। সেই সময় থেকেই নির্ধারিত সময় গণনা শুরু হয়, যা শুক্রবার (১ মে) শেষ হওয়ার কথা।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়সীমার মধ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন না থাকলে ইরানে অভিযান চালিয়ে গেলে তা ফেডারেল আইন লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
