বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

লাখাইয়ে বন্যায় ২২শ হেক্টর জমির ধান তলিয়ে ক্ষতি ১১ হাজার মেট্রিক টন

লাখাইয়ে বন্যায় ২২শ হেক্টর জমির ধান তলিয়ে ক্ষতি ১১ হাজার মেট্রিক টন
ছবি: চেকপোস্ট

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলা এ আকস্মিক বন্যা ও ভারী বৃষ্টিপাতে কৃষকদের স্বপ্ন ভেসে গেছে পানিতে। উপজেলার প্রায় ২২শ হেক্টর জমির বোরো ধান তলিয়ে গিয়ে প্রায় ১১ হাজার মেট্রিক টন ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

গত এক সপ্তাহ ধরে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিপাতে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি পানির নিচে চলে গেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লাখাই ও বুল্লা ইউনিয়ন।

অনেক কৃষক ধান কাটার আগেই পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কিছুই উদ্ধার করতে পারেননি। আবার কেউ কেউ ধান কেটে আনলেও বৃষ্টির কারণে খলায় ধান শুকাতে না পেরে পঁচে নষ্ট হচ্ছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, জমিতে পানি জমে থাকায় যান্ত্রিকভাবে ধান কাটা সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে দিনমজুর দিয়ে ধান কাটাতে গিয়ে গুনতে হচ্ছে বাড়তি খরচ প্রতি শ্রমিকের মজুরি ৮০০ টাকা পর্যন্ত।

উপজেলার কৃষক আব্দুল মালেক বলেন, হঠাৎ বন্যায় সব শেষ হয়ে গেছে। রোদ না থাকায় ধান শুকানো যাচ্ছে না, আবার কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাহাদুল ইসলাম জানান, এ বছর উপজেলায় ১১ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছিল। এর মধ্যে প্রায় ২২শ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুরাদ ইসলাম জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। বরাদ্দ এলে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

#লাখাই #কৃষক_সংকট #বন্যায়_ক্ষতি

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬


লাখাইয়ে বন্যায় ২২শ হেক্টর জমির ধান তলিয়ে ক্ষতি ১১ হাজার মেট্রিক টন

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলা এ আকস্মিক বন্যা ও ভারী বৃষ্টিপাতে কৃষকদের স্বপ্ন ভেসে গেছে পানিতে। উপজেলার প্রায় ২২শ হেক্টর জমির বোরো ধান তলিয়ে গিয়ে প্রায় ১১ হাজার মেট্রিক টন ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

গত এক সপ্তাহ ধরে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিপাতে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি পানির নিচে চলে গেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লাখাই ও বুল্লা ইউনিয়ন।

অনেক কৃষক ধান কাটার আগেই পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কিছুই উদ্ধার করতে পারেননি। আবার কেউ কেউ ধান কেটে আনলেও বৃষ্টির কারণে খলায় ধান শুকাতে না পেরে পঁচে নষ্ট হচ্ছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, জমিতে পানি জমে থাকায় যান্ত্রিকভাবে ধান কাটা সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে দিনমজুর দিয়ে ধান কাটাতে গিয়ে গুনতে হচ্ছে বাড়তি খরচ প্রতি শ্রমিকের মজুরি ৮০০ টাকা পর্যন্ত।

উপজেলার কৃষক আব্দুল মালেক বলেন, হঠাৎ বন্যায় সব শেষ হয়ে গেছে। রোদ না থাকায় ধান শুকানো যাচ্ছে না, আবার কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাহাদুল ইসলাম জানান, এ বছর উপজেলায় ১১ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছিল। এর মধ্যে প্রায় ২২শ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুরাদ ইসলাম জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। বরাদ্দ এলে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত