গোপালগঞ্জে র্যাব সদস্য পরিচয়ে বিকাশের এক কর্মীকে প্রাইভেটকারে তুলে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সকালে সদর উপজেলার হরিদাসপুর ফকিরকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বিকাশের ডিস্ট্রিবিউশন সেলস সুপারভাইজার মো. হাচিবুর রহমান গোপালগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এতে অজ্ঞাতপরিচয় চার থেকে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিকাশের ডিস্ট্রিবিউশন সেলস অফিসার (ডিএসও) সামিউল ইসলাম সকাল সোয়া ১০টার দিকে গোপালগঞ্জের পূর্বালী ব্যাংক পিএলসি থেকে প্রতিষ্ঠানের দুই লাখ টাকা সংগ্রহ করেন।
পরে মোটরসাইকেলে করে অফিসে ফেরার পথে সকাল আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটে হরিদাসপুর ফকিরকান্দি এলাকায় একটি সাদা প্রাইভেটকার তাঁর মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গাড়ি থেকে র্যাবের পোশাক পরা কয়েকজন ব্যক্তি বের হয়ে নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দেন। এরপর অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সামিউলকে আটক করে হাতকড়া পরিয়ে জোর করে গাড়িতে তোলা হয়।
সামিউলের অভিযোগের বরাত দিয়ে আরও বলা হয়েছে, গাড়ির ভেতরে তাঁর চোখ লাল গামছা দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে সঙ্গে থাকা টাকা ও মালামাল দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, সামিউলের একটি ব্যাগ নিয়ে নেয় অভিযুক্তরা। ওই ব্যাগে বিকাশের দুই লাখ টাকা ও একটি Oppo Reno 6 মোবাইল ফোন ছিল।
এ ছাড়া তাঁর কাছ থেকে একটি Realme Hot 60x মোবাইল ফোনও নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে ফোন দুটির আনুমানিক মূল্য যথাক্রমে ৩২ হাজার ও ১৫ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে সামিউলকে চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় সদর উপজেলার কাশিয়ানী ইউনিয়নের কংশুর এলাকার একটি বাসস্ট্যান্ডের কাছে সড়কের ওপর ফেলে রেখে অভিযুক্তরা দ্রুত চলে যায়।
ঘটনার পর বিকাশের আরেক ডিএসও রাজু বিশ্বাস বিষয়টি সহকর্মীদের জানান। পরে কয়েকজন সহকর্মী আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি করে সামিউলকে পান। দুপুরের দিকে তিনি অফিসে ফিরে সহকর্মীদের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানান।
ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে গোপালগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানার পুলিশের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গোপালগঞ্জে র্যাব সদস্য পরিচয়ে বিকাশের এক কর্মীকে প্রাইভেটকারে তুলে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সকালে সদর উপজেলার হরিদাসপুর ফকিরকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বিকাশের ডিস্ট্রিবিউশন সেলস সুপারভাইজার মো. হাচিবুর রহমান গোপালগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এতে অজ্ঞাতপরিচয় চার থেকে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিকাশের ডিস্ট্রিবিউশন সেলস অফিসার (ডিএসও) সামিউল ইসলাম সকাল সোয়া ১০টার দিকে গোপালগঞ্জের পূর্বালী ব্যাংক পিএলসি থেকে প্রতিষ্ঠানের দুই লাখ টাকা সংগ্রহ করেন।
পরে মোটরসাইকেলে করে অফিসে ফেরার পথে সকাল আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটে হরিদাসপুর ফকিরকান্দি এলাকায় একটি সাদা প্রাইভেটকার তাঁর মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গাড়ি থেকে র্যাবের পোশাক পরা কয়েকজন ব্যক্তি বের হয়ে নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দেন। এরপর অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সামিউলকে আটক করে হাতকড়া পরিয়ে জোর করে গাড়িতে তোলা হয়।
সামিউলের অভিযোগের বরাত দিয়ে আরও বলা হয়েছে, গাড়ির ভেতরে তাঁর চোখ লাল গামছা দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে সঙ্গে থাকা টাকা ও মালামাল দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, সামিউলের একটি ব্যাগ নিয়ে নেয় অভিযুক্তরা। ওই ব্যাগে বিকাশের দুই লাখ টাকা ও একটি Oppo Reno 6 মোবাইল ফোন ছিল।
এ ছাড়া তাঁর কাছ থেকে একটি Realme Hot 60x মোবাইল ফোনও নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে ফোন দুটির আনুমানিক মূল্য যথাক্রমে ৩২ হাজার ও ১৫ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে সামিউলকে চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় সদর উপজেলার কাশিয়ানী ইউনিয়নের কংশুর এলাকার একটি বাসস্ট্যান্ডের কাছে সড়কের ওপর ফেলে রেখে অভিযুক্তরা দ্রুত চলে যায়।
ঘটনার পর বিকাশের আরেক ডিএসও রাজু বিশ্বাস বিষয়টি সহকর্মীদের জানান। পরে কয়েকজন সহকর্মী আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি করে সামিউলকে পান। দুপুরের দিকে তিনি অফিসে ফিরে সহকর্মীদের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানান।
ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে গোপালগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানার পুলিশের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।
