সাতক্ষীরা শহরতলীর তালতলা এলাকায় বিসমিল্লাহ ফুডসের কর্মচারী কোহিনুর খাতুন হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় কারখানার মালিক আব্দুস সোবহানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার রাতে নিহতের ভাই ইমরান হোসেন বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরে সন্দেহভাজন হিসেবে বিসমিল্লাহ ফুডসের মালিক আব্দুস সোবহানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, বুধবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার রিমান্ড চাওয়া হবে।
পুলিশ ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার বিকেলে কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন কোহিনুর। রাতে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তালতলা এলাকার আব্দুল খালেকের পানিবদ্ধ জমি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কোহিনুরকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
নিহতের ছেলে মোহাম্মদ মুন্না অভিযোগ করেন, তার মায়ের সঙ্গে বিসমিল্লাহ ফুডসের মালিক আব্দুস সোবহানের সম্পর্ক নিয়ে মালিকের স্ত্রী মঞ্জুয়ারা বেগমের বিরোধ চলছিল। তার দাবি, হত্যার দিন বিকেলেও কারখানায় কোহিনুরকে মারধর করা হয়।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও কারখানার শ্রমিকও কোহিনুরের সঙ্গে মালিকের ঘনিষ্ঠতা এবং এ নিয়ে মালিকের স্ত্রীর সঙ্গে বিরোধের কথা জানিয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তাধীন।
গ্রেপ্তার আব্দুস সোবহান কোহিনুরের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, এ বিষয়টি নিয়ে তার স্ত্রীর সঙ্গে বিরোধ হতো। কোহিনুর ও তার ছেলে মুন্নার পড়াশোনায় তিনি সহায়তা করতেন বলেও দাবি করেন।
তবে কোহিনুর হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন সোবহান।
এদিকে মঞ্জুয়ারা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহাবুবর রহমান জানান, কোহিনুরকে শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনায় তার ভাই ইমরান হোসেন বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মামলা করেছেন। মামলাটি জিআর-৪১২/২৬ হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।
মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে উপপরিদর্শক শাহাদাৎ হোসেনকে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ বলছে, তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাতক্ষীরা শহরতলীর তালতলা এলাকায় বিসমিল্লাহ ফুডসের কর্মচারী কোহিনুর খাতুন হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় কারখানার মালিক আব্দুস সোবহানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার রাতে নিহতের ভাই ইমরান হোসেন বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরে সন্দেহভাজন হিসেবে বিসমিল্লাহ ফুডসের মালিক আব্দুস সোবহানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, বুধবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার রিমান্ড চাওয়া হবে।
পুলিশ ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার বিকেলে কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন কোহিনুর। রাতে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তালতলা এলাকার আব্দুল খালেকের পানিবদ্ধ জমি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কোহিনুরকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
নিহতের ছেলে মোহাম্মদ মুন্না অভিযোগ করেন, তার মায়ের সঙ্গে বিসমিল্লাহ ফুডসের মালিক আব্দুস সোবহানের সম্পর্ক নিয়ে মালিকের স্ত্রী মঞ্জুয়ারা বেগমের বিরোধ চলছিল। তার দাবি, হত্যার দিন বিকেলেও কারখানায় কোহিনুরকে মারধর করা হয়।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও কারখানার শ্রমিকও কোহিনুরের সঙ্গে মালিকের ঘনিষ্ঠতা এবং এ নিয়ে মালিকের স্ত্রীর সঙ্গে বিরোধের কথা জানিয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তাধীন।
গ্রেপ্তার আব্দুস সোবহান কোহিনুরের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, এ বিষয়টি নিয়ে তার স্ত্রীর সঙ্গে বিরোধ হতো। কোহিনুর ও তার ছেলে মুন্নার পড়াশোনায় তিনি সহায়তা করতেন বলেও দাবি করেন।
তবে কোহিনুর হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন সোবহান।
এদিকে মঞ্জুয়ারা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহাবুবর রহমান জানান, কোহিনুরকে শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনায় তার ভাই ইমরান হোসেন বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মামলা করেছেন। মামলাটি জিআর-৪১২/২৬ হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।
মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে উপপরিদর্শক শাহাদাৎ হোসেনকে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ বলছে, তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
