নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা শহরে রেলওয়ের জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও দখলকৃত কোয়ার্টার উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (৮ জুন) সকাল ১০টায় গোলাহাট এলাকা থেকে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। রেলওয়ে সূত্র জানায়, এ অভিযান মঙ্গলবার পর্যন্ত চলবে।
অভিযানে গোলাহাট এলাকার একটি জলাশয় দখল করে গড়ে ওঠা ছয়টি বাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। এছাড়া রেলস্টেশন এলাকায় ১০টি দোকান এবং রাসুলপুর ও গার্ডপাড়া এলাকায় কয়েকটি কোয়ার্টার উচ্ছেদ করা হয়।
তবে এ অভিযানকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অভিযোগও উঠেছে। তাদের দাবি, অভিযানটি “লোক দেখানো” এবং “পক্ষপাতমূলক”, যেখানে তুলনামূলকভাবে দুর্বলদের লক্ষ্য করা হচ্ছে।
একজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, নোটিশ না দিয়েই তার দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রভাবশালী ও বড় দখলদারদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয়রা।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, সৈয়দপুরে প্রায় সাড়ে ৮০০ একর ভূসম্পত্তির মধ্যে ৮০ শতাংশেরও বেশি অবৈধ দখলে রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব দখলমুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন পাকশী রেল বিভাগের বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা (ডিইও) সফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, রেলের প্রয়োজনীয় জমি উদ্ধার করা হচ্ছে এবং নিয়ম মেনেই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এ সময় সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী তোহিদুল ইসলাম, কানুনগো মহসিন আলীসহ রেলওয়ের একাধিক কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়দের দাবি, স্বচ্ছতা ও সমতার ভিত্তিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হলে তারা রেল কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করবেন।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা শহরে রেলওয়ের জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও দখলকৃত কোয়ার্টার উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (৮ জুন) সকাল ১০টায় গোলাহাট এলাকা থেকে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। রেলওয়ে সূত্র জানায়, এ অভিযান মঙ্গলবার পর্যন্ত চলবে।
অভিযানে গোলাহাট এলাকার একটি জলাশয় দখল করে গড়ে ওঠা ছয়টি বাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। এছাড়া রেলস্টেশন এলাকায় ১০টি দোকান এবং রাসুলপুর ও গার্ডপাড়া এলাকায় কয়েকটি কোয়ার্টার উচ্ছেদ করা হয়।
তবে এ অভিযানকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অভিযোগও উঠেছে। তাদের দাবি, অভিযানটি “লোক দেখানো” এবং “পক্ষপাতমূলক”, যেখানে তুলনামূলকভাবে দুর্বলদের লক্ষ্য করা হচ্ছে।
একজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, নোটিশ না দিয়েই তার দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রভাবশালী ও বড় দখলদারদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয়রা।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, সৈয়দপুরে প্রায় সাড়ে ৮০০ একর ভূসম্পত্তির মধ্যে ৮০ শতাংশেরও বেশি অবৈধ দখলে রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব দখলমুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন পাকশী রেল বিভাগের বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা (ডিইও) সফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, রেলের প্রয়োজনীয় জমি উদ্ধার করা হচ্ছে এবং নিয়ম মেনেই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এ সময় সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী তোহিদুল ইসলাম, কানুনগো মহসিন আলীসহ রেলওয়ের একাধিক কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়দের দাবি, স্বচ্ছতা ও সমতার ভিত্তিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হলে তারা রেল কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করবেন।
