ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আলোচিত সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ রিপাবলিক বাংলা থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। বুধবার (৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তবে কী কারণে তিনি চ্যানেল ছাড়ছেন, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানাননি ময়ূখ রঞ্জন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, “হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। ময়ূখ রিপাবলিক ছেড়েছে। আজ সকালেই রিপাবলিক বাংলা সংবাদে আমার শেষ দিন ছিল।”
তিনি জানান, পদত্যাগের সিদ্ধান্ত হঠাৎ নেওয়া নয়। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানাবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ময়ূখ রঞ্জন বলেন, টেলিভিশনের স্টুডিওতে এতদিন নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন। আগামী পথচলা কী হবে, তা সময়ই বলে দেবে।
তিনি আরও লেখেন, সিদ্ধান্তটি তিনি ২০২৫ সালেই নিয়েছিলেন। নিজের কাজের ধরন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর বাংলাদেশ, শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্যের কারণে ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ ব্যাপক আলোচনায় আসেন। তার বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে তৈরি হয় নানা বিতর্ক।
বিশেষ করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে তার মন্তব্যগুলো নিয়ে দুই দেশের দর্শক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আলোচিত সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ রিপাবলিক বাংলা থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। বুধবার (৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তবে কী কারণে তিনি চ্যানেল ছাড়ছেন, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানাননি ময়ূখ রঞ্জন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, “হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। ময়ূখ রিপাবলিক ছেড়েছে। আজ সকালেই রিপাবলিক বাংলা সংবাদে আমার শেষ দিন ছিল।”
তিনি জানান, পদত্যাগের সিদ্ধান্ত হঠাৎ নেওয়া নয়। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানাবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ময়ূখ রঞ্জন বলেন, টেলিভিশনের স্টুডিওতে এতদিন নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন। আগামী পথচলা কী হবে, তা সময়ই বলে দেবে।
তিনি আরও লেখেন, সিদ্ধান্তটি তিনি ২০২৫ সালেই নিয়েছিলেন। নিজের কাজের ধরন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর বাংলাদেশ, শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্যের কারণে ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ ব্যাপক আলোচনায় আসেন। তার বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে তৈরি হয় নানা বিতর্ক।
বিশেষ করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে তার মন্তব্যগুলো নিয়ে দুই দেশের দর্শক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়।
