লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ৮ নম্বর দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মাদকের বিরুদ্ধে স্থানীয় জনগণের উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে কয়েকজন সন্দেহভাজন মাদক কারবারি ও মাদকসেবীকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকবিরোধী জনসচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেন।
এ অভিযানে সমাজসেবক ও মাদকবিরোধী কার্যক্রমের সংগঠক জি. এম. আলমাস নেতৃত্ব দেন বলে স্থানীয়রা জানান। এলাকাবাসীর ভাষ্য, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তাঁর এ উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
স্থানীয়দের দাবি, আটক ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি।
এলাকাবাসী প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শুধু মাঠপর্যায়ের কারবারিদের নয়, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে অভিযুক্ত মূল হোতা ও পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধেও নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
স্থানীয়দের মতে, মাদকের বিরুদ্ধে জনসাধারণের এ ধরনের ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ৮ নম্বর দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মাদকের বিরুদ্ধে স্থানীয় জনগণের উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে কয়েকজন সন্দেহভাজন মাদক কারবারি ও মাদকসেবীকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকবিরোধী জনসচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেন।
এ অভিযানে সমাজসেবক ও মাদকবিরোধী কার্যক্রমের সংগঠক জি. এম. আলমাস নেতৃত্ব দেন বলে স্থানীয়রা জানান। এলাকাবাসীর ভাষ্য, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তাঁর এ উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
স্থানীয়দের দাবি, আটক ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি।
এলাকাবাসী প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শুধু মাঠপর্যায়ের কারবারিদের নয়, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে অভিযুক্ত মূল হোতা ও পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধেও নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
স্থানীয়দের মতে, মাদকের বিরুদ্ধে জনসাধারণের এ ধরনের ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
