লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলা–এ বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে সজিব (২০) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাত করার ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল–এ ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে উপজেলার ০৮নং দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নে। আহত সজিব ওই ইউনিয়নের ০৯ নম্বর ওয়ার্ডের জাহাঙ্গীর মুন্সির ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে বা কোনো বিরোধের কারণে অভিযুক্তরা সজিবকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে সুযোগ বুঝে তাকে ধারালো ছুরি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করা হয়। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলেও অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।
ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন
১. রায়হান (১৮), পিতা: মালেক বেপারী
২. সাইফুল (১৬), পিতা: ছায়দল হক গাজী
৩. হৃদয় (২০), পিতা: আনছু সরদার
তারা সবাই দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ০৭ নম্বর ওয়ার্ডের চরকাচিয়া গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলা–এ বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে সজিব (২০) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাত করার ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল–এ ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে উপজেলার ০৮নং দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নে। আহত সজিব ওই ইউনিয়নের ০৯ নম্বর ওয়ার্ডের জাহাঙ্গীর মুন্সির ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে বা কোনো বিরোধের কারণে অভিযুক্তরা সজিবকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে সুযোগ বুঝে তাকে ধারালো ছুরি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করা হয়। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলেও অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।
ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন
১. রায়হান (১৮), পিতা: মালেক বেপারী
২. সাইফুল (১৬), পিতা: ছায়দল হক গাজী
৩. হৃদয় (২০), পিতা: আনছু সরদার
তারা সবাই দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ০৭ নম্বর ওয়ার্ডের চরকাচিয়া গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
