শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামিপক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির কোনো আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান ঢাকা আইনজীবী সমিতির (ঢাকা বার) সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কালাম খান।
তিনি পোস্টে উল্লেখ করেন, ঢাকা বারের কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সমিতির কোনো বিজ্ঞ আইনজীবী রামিসা হত্যা মামলার আসামির পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন না।
এর আগে গত মঙ্গলবার সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং বাথরুম থেকে তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তিনি আদালতে রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে পুলিশ জানায়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সকালে রামিসা বাসা থেকে বের হওয়ার পর সন্দেহভাজন সোহেল রানা তাকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করে। পরে মরদেহ খাটের নিচ থেকে এবং বিচ্ছিন্ন মাথা বাথরুমের একটি বালতি থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামিপক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির কোনো আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান ঢাকা আইনজীবী সমিতির (ঢাকা বার) সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কালাম খান।
তিনি পোস্টে উল্লেখ করেন, ঢাকা বারের কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সমিতির কোনো বিজ্ঞ আইনজীবী রামিসা হত্যা মামলার আসামির পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন না।
এর আগে গত মঙ্গলবার সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং বাথরুম থেকে তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তিনি আদালতে রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে পুলিশ জানায়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সকালে রামিসা বাসা থেকে বের হওয়ার পর সন্দেহভাজন সোহেল রানা তাকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করে। পরে মরদেহ খাটের নিচ থেকে এবং বিচ্ছিন্ন মাথা বাথরুমের একটি বালতি থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
