শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ছায়া রাজত্ব! ঢাকায় ফের অস্থির আন্ডারওয়ার্ল্ড
ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডে আবারও দেখা দিয়েছে টানাপোড়েন। তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধ জগতে পুরোনো ও নতুন শক্তির দ্বন্দ্ব নতুন করে আলোচনায় এসেছে।বিশ্লেষকদের মতে, একসময় যেসব বড় সন্ত্রাসী শহরের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করত, তাদের প্রভাব এখন কিছুটা কমলেও সেই জায়গা দখলে নতুন প্রজন্ম সক্রিয় হয়ে উঠছে। বিশেষ করে কিশোর গ্যাং থেকে উঠে আসা অপরাধীরা ধীরে ধীরে বড় চক্রে যুক্ত হচ্ছে।পুলিশ বলছে, এখন আর আগের মতো শক্তিশালী সংগঠিত শীর্ষ সন্ত্রাসী কাঠামো নেই, তবে ছোট ছোট গ্রুপ ও সহযোগীরা অপরাধ জগতে সক্রিয় রয়েছে। তাদের অনেকেই পুরোনো নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করার চেষ্টা করছে।অপরাধ বিশ্লেষকদের দাবি, এই নতুন অপরাধীদের পেছনে অনেক সময় প্রভাবশালী গোষ্ঠী ও রাজনৈতিক ছত্রছায়া কাজ করে, যা তাদের দ্রুত শক্তিশালী হতে সাহায্য করে।২০০১ সালে ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকার একাধিক ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কয়েকজনের মুক্তির পর আবারও অপরাধ কর্মকাণ্ড বাড়ার অভিযোগ উঠেছে।ঢাকা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অপরাধ দমন করতে নিয়মিত অভিযান চালানো হলেও নতুন অপরাধ চক্রের উত্থান পুরোপুরি থামানো যাচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দখল, চাঁদাবাজি, মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ‘অপরাধ অর্থনীতি’ ভাঙতে না পারলে নতুন সন্ত্রাসীর জন্ম ঠেকানো কঠিন হবে।