রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে চাকরি বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে চাকরি বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্তের দাবি
অভিযুক্ত সুজন ইসলাম। ছবি : চেকপোস্ট

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সেফটি অ্যান্ড স্টোর বিভাগের ম্যানেজার সুজন ইসলামের বিরুদ্ধে চাকরি বাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগী সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত সুজন ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম করে আসছেন। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ গ্রহণ, ভুয়া হাজিরা তৈরি, শ্রমিকদের ওপর প্রভাব বিস্তার এবং ক্ষমতার অপব্যবহার।

রামপাল উপজেলার মানিকনগরের বাসিন্দা ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের সাবেক কর্মী মো. মামুন অভিযোগ করেন, চাকরিতে পুনর্বহালের আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে ৬৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। তবে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকরি না পাওয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একই ধরনের অভিযোগ করেছেন রাজনগরের বাসিন্দা ও সাবেক কর্মী আসাদুজ্জামান। তার দাবি, পুনর্বহালের আশ্বাসে তার কাছ থেকেও ৪৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, যারা বিভিন্ন সুবিধা দিতে সক্ষম হন, তারা বিশেষ সুযোগ পান। অন্যদিকে অনেক শ্রমিক চাকরির নিরাপত্তাহীনতা ও চাপের মধ্যে কাজ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া হাজিরা সংক্রান্ত অনিয়ম এবং আর্থিক অসঙ্গতির অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন সুজন ইসলাম। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এখানে অনেক মানুষ কাজ করেন, কেউ কেউ অসন্তুষ্ট হতে পারেন।

এ বিষয়ে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত জিএম (অপারেশন) আহসান হাবিব বলেন, সুজন ইসলাম আউটসোর্সিংয়ের কর্মচারী। তার বিভাগ এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে পারবে।

অভিযোগকারীরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো জানা যায়নি।

#দুর্নীতির_অভিযোগ #রামপাল_তাপবিদ্যুৎ_কেন্দ্র #চাকরি_বাণিজ্য

চেকপোস্ট

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬


রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে চাকরি বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬

featured Image

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সেফটি অ্যান্ড স্টোর বিভাগের ম্যানেজার সুজন ইসলামের বিরুদ্ধে চাকরি বাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগী সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত সুজন ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম করে আসছেন। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ গ্রহণ, ভুয়া হাজিরা তৈরি, শ্রমিকদের ওপর প্রভাব বিস্তার এবং ক্ষমতার অপব্যবহার।

রামপাল উপজেলার মানিকনগরের বাসিন্দা ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের সাবেক কর্মী মো. মামুন অভিযোগ করেন, চাকরিতে পুনর্বহালের আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে ৬৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। তবে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকরি না পাওয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একই ধরনের অভিযোগ করেছেন রাজনগরের বাসিন্দা ও সাবেক কর্মী আসাদুজ্জামান। তার দাবি, পুনর্বহালের আশ্বাসে তার কাছ থেকেও ৪৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, যারা বিভিন্ন সুবিধা দিতে সক্ষম হন, তারা বিশেষ সুযোগ পান। অন্যদিকে অনেক শ্রমিক চাকরির নিরাপত্তাহীনতা ও চাপের মধ্যে কাজ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া হাজিরা সংক্রান্ত অনিয়ম এবং আর্থিক অসঙ্গতির অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন সুজন ইসলাম। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এখানে অনেক মানুষ কাজ করেন, কেউ কেউ অসন্তুষ্ট হতে পারেন।

এ বিষয়ে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত জিএম (অপারেশন) আহসান হাবিব বলেন, সুজন ইসলাম আউটসোর্সিংয়ের কর্মচারী। তার বিভাগ এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে পারবে।

অভিযোগকারীরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো জানা যায়নি।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত