বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার চাঁদপুর গ্রামে সরকারি খাল দখল করে মাছ চাষ ও ফসলি জমিতে প্রভাব ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং স্থানীয়রা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ইসমাইল হোসেন নামের একজন ব্যক্তি সরকারি খাল দখল করে সেখানে মাছ চাষ শুরু করেছেন এবং খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করেছেন। এতে এলাকায় জলাবদ্ধতার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
স্থানীয়দের মতে, খালে বাঁধ ও জাল বসানোর কারণে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয়ে পুরো গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে অভিযোগকারী আসাদুর রহমান দাবি করেন, তিনি বৈধভাবে ক্রয়কৃত জমির মালিক এবং নিজের জমির পাশ দিয়ে প্রবাহিত খালের মুখ উন্মুক্ত রাখতে তিনি উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক খালে বাঁধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করেছে বলে অভিযোগ তার।
সরেজমিন তথ্য অনুযায়ী, চাঁদপুর মৌজার বিভিন্ন খতিয়ানভুক্ত একাধিক দাগের প্রায় ১.২৭ একর জমির মধ্যে ১.০৮ একর জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে সেখানে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
এদিকে আসাদুর রহমানের দাবি, তিনি কোনো সরকারি জমি দখল করেননি, বরং নিজ অংশের জমির মধ্য দিয়েই খালের জন্য জায়গা রেখে দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, খাল দখলমুক্ত করে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত না করা হলে কৃষি উৎপাদন ও জনজীবনে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। তারা দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা চলছে এবং উভয় পক্ষের অবস্থান স্পষ্ট হওয়ায় পরিস্থিতি সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার চাঁদপুর গ্রামে সরকারি খাল দখল করে মাছ চাষ ও ফসলি জমিতে প্রভাব ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং স্থানীয়রা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ইসমাইল হোসেন নামের একজন ব্যক্তি সরকারি খাল দখল করে সেখানে মাছ চাষ শুরু করেছেন এবং খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করেছেন। এতে এলাকায় জলাবদ্ধতার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
স্থানীয়দের মতে, খালে বাঁধ ও জাল বসানোর কারণে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয়ে পুরো গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে অভিযোগকারী আসাদুর রহমান দাবি করেন, তিনি বৈধভাবে ক্রয়কৃত জমির মালিক এবং নিজের জমির পাশ দিয়ে প্রবাহিত খালের মুখ উন্মুক্ত রাখতে তিনি উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক খালে বাঁধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করেছে বলে অভিযোগ তার।
সরেজমিন তথ্য অনুযায়ী, চাঁদপুর মৌজার বিভিন্ন খতিয়ানভুক্ত একাধিক দাগের প্রায় ১.২৭ একর জমির মধ্যে ১.০৮ একর জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে সেখানে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
এদিকে আসাদুর রহমানের দাবি, তিনি কোনো সরকারি জমি দখল করেননি, বরং নিজ অংশের জমির মধ্য দিয়েই খালের জন্য জায়গা রেখে দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, খাল দখলমুক্ত করে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত না করা হলে কৃষি উৎপাদন ও জনজীবনে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। তারা দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা চলছে এবং উভয় পক্ষের অবস্থান স্পষ্ট হওয়ায় পরিস্থিতি সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী।
