মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে চামারখালী খাল মুক্ত

রামপালে সরকারি খালের বাঁধ অপসারণে অভিযান, প্রশাসনের কঠোর অবস্থান

রামপালে সরকারি খালের বাঁধ অপসারণে অভিযান, প্রশাসনের কঠোর অবস্থান
ছবি : চেকপোস্ট

বাগেরহাটের রামপালে সরকারি খালের স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে নির্মিত একটি বাঁধ অপসারণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার (২২ জুন) বেলা ১১টায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের নির্দেশে সিংগড়বুনিয়া গ্রামের চামারখালী খালের বাঁধ অপসারণ করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে সিংগড়বুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা অহিদ আকুঞ্জী ও মোতাহার আলী নামের একজন ব্যক্তি প্রবহমান চামারখালী খালে বাঁধ দিয়ে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ করে সেখানে মাছ চাষ শুরু করেন। এ ঘটনায় এলাকায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে বিএনপি নেতা মো. মহিদুল ইসলাম লিখিতভাবে বিষয়টি প্রতিমন্ত্রীর নজরে আনেন। এর পরই দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

নির্দেশনা পেয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্রামবাসীর সহায়তায় বাঁধ অপসারণ করেন।

তিনি বলেন, সরকারি রেকর্ডীয় প্রবহমান খালে কেউ অবৈধভাবে বাঁধ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পরিবেশ ও জলপ্রবাহ রক্ষায় সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও তিনি জানান।

#রামপাল_সংবাদ #বাগেরহাট_সংবাদ #খাল_উচ্ছেদ

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬


রামপালে সরকারি খালের বাঁধ অপসারণে অভিযান, প্রশাসনের কঠোর অবস্থান

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬

featured Image

বাগেরহাটের রামপালে সরকারি খালের স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে নির্মিত একটি বাঁধ অপসারণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার (২২ জুন) বেলা ১১টায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের নির্দেশে সিংগড়বুনিয়া গ্রামের চামারখালী খালের বাঁধ অপসারণ করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে সিংগড়বুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা অহিদ আকুঞ্জী ও মোতাহার আলী নামের একজন ব্যক্তি প্রবহমান চামারখালী খালে বাঁধ দিয়ে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ করে সেখানে মাছ চাষ শুরু করেন। এ ঘটনায় এলাকায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে বিএনপি নেতা মো. মহিদুল ইসলাম লিখিতভাবে বিষয়টি প্রতিমন্ত্রীর নজরে আনেন। এর পরই দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

নির্দেশনা পেয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্রামবাসীর সহায়তায় বাঁধ অপসারণ করেন।

তিনি বলেন, সরকারি রেকর্ডীয় প্রবহমান খালে কেউ অবৈধভাবে বাঁধ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পরিবেশ ও জলপ্রবাহ রক্ষায় সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও তিনি জানান।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত